গুম ঠেকাতে স্থায়ী কমিশন হবে: আইন উপদেষ্টা

Jun 16, 2025 - 19:48
Jun 16, 2025 - 19:49
 0  28
গুম ঠেকাতে স্থায়ী কমিশন হবে: আইন উপদেষ্টা

বিনা ডেস্ক

ভবিষ্যতে কোনো সরকারের মদদে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে যাতে কেউ গুমের শিকার না হন, সেজন্য স্থায়ী কমিশন গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

তিনি এও জানিয়েছেন, স্থায়ী কমিশন গঠনের জন্য আগামী এক মাসের মধ্যে একটি আইন প্রণয়ন করা হবে। আজ সোমবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে জাতিসংঘের গুম বিষয়ক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

আসিফ নজরুল বলেন, “বর্তমান গুম কমিশন যেখানে কাজ শেষ করবে, পরবর্তী কমিশন সেখান থেকে কাজ শুরু করবে। গুম সংক্রান্ত কমিশন গঠন ও আইন তৈরির উদ্যোগ নেওয়ায় জাতিসংঘের প্রতিনিধিদল আমাদের প্রশংসা করেছেন। এ বিষয়ে তারা আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে চেয়েছেন।”

তিনি বলেন, “এই আইন হলে যেকোনো সরকারের জন্য কাউকে গুম করা অনেক রিস্ক ও কষ্টসাধ্য হবে। জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তির আগে আরও ভালো কিছু কাজ করা হবে।”

সাংবাদিকদের একজন বলেন, প্রস্তাবিত আইনটি তো পরবর্তী সরকার বাতিল করতে পারে। তখন আইন উপদেষ্টা বলেন, “বিএনপি, জামায়াত নেতারা নিজেই গুমের শিকার হয়েছেন। এনসিপি ও ইসলামী দলগুলো গুমের ব্যাপারে সোচ্চার রয়েছেন। যারাই ক্ষমতায় আসুক, এমন কিছু করবে বলে মনে হয় না।”

অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, অতীতে যারা গুমের শিকার হয়েছেন, তাদেরকে ‘মিসিং সার্টিফিকেট’ দিতে আইনে বিধান যুক্ত করা যায় কি না, তা চিন্তাভাবনা করছে সরকার।
ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ‘গুম ও আয়নাঘরের’ বিষয়টি আবার সামনে আসে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্বে এসে এসব ঘটনা তদন্তে গত ২৭ অগাস্ট অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের গুম তদন্ত কমিশন গঠন করে।

এই কমিশন গত ৪ জুন দ্বিতীয় অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, যেখানে ভয়াবহ ও নিষ্ঠুর নির্যাতনের বর্ণনা উঠে এসেছে। কয়েক দফা বাড়ানোর পর এই কমিশনের মেয়াদ ৩০ জুন ঠিক করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ন্যাশনাল ভিশন: বাংলাদেশের জাতীয় জনজীবন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি কার্যক্রম এবং নাগরিক বাস্তবতার সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, জবাবদিহিমূলক ও জনস্বার্থভিত্তিক সংবাদ ও জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক এবং গণমাধ্যমের জন্য জাতীয় ঘটনাপ্রবাহের প্রধান রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: রাজধানী, মন্ত্রণালয়, সংসদ, আদালত, নির্বাচন, জনসেবা এবং নাগরিক জীবনের প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি দ্রুত, নির্ভুল, প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ এবং ভারসাম্যপূর্ণভাবে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা রাষ্ট্রের কার্যক্রম, সরকারি সিদ্ধান্ত এবং সেগুলোর বাস্তব প্রভাব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারেন।