দীর্ঘ ক্যারিয়ারে শুধু বলিউড নয় দক্ষিণী সিনেমায় অসাধারণ ভূমিকা রাখেন জনপ্রিয় তারকা অভিনেত্রী শ্রিয়া সরন। তেলেগু সিনেমায় অভিষেক হলেও তামিল, মালায়লাম ও বলিউডে রয়েছে অভিজ্ঞ এই সুন্দরীর দৃপ্ত পদচারণা। 'দৃশ্যম ৩'-এর প্রাথমিক সাফল্যে উচ্ছ্বসিত ভক্তরা অজয় দেবগনের স্ত্রীর ভূমিকায় শ্রিয়ার অসাধারণ অভিনয়ের প্রশংসা করেন। সাবলীল ও নিখুঁত অভিনয়ের মাধ্যমে আবারও আলোচনায় ৭০টির বেশি সিনেমায় অভিনয় করা এই অভিনেত্রী।
একাধিক প্রেম, গোপনে বিদেশিকে বিয়ে করে আলোচনায় থাকার পাশাপাশি বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক এখন শ্রিয়া সরন। ক্রিকেটার থেকে শুরু করে অনেক তারকা অভিনেতার সঙ্গেও বিভিন্ন সময় নাম জড়িয়েছে ‘শিবাজি দ্য বস’ তারকার। এই সিনেসুন্দরীর ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন নিয়ে ভক্তদের কৌতূহলের অন্ত নেই।
১৯৮২ সালে জন্ম নেওয়া শ্রিয়া ২০০১ সালে তেলুগু চলচ্চিত্র ‘ইশতাম’ দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। 'সন্তোষম', রজনীকান্তের সঙ্গে 'শিবাজি: দ্য বস', অজয় দেবগনের বিপরীতে 'দৃশ্যম' এবং এস এস রাজামৌলির 'আরআরআর' এর মতো সুপারহিট ছবিতে অভিনয় করে তিনি আকাশছোঁয়া খ্যাতি অর্জন করেছেন।
অভিনয়ের পাশাপাশি শ্রিয়া একজন দক্ষ কত্থক নৃত্যশিল্পীও। বিশ্বজুড়ে বহু প্রধান মঞ্চে তিনি নৃত্য পরিবেশন করেছেন। তার সাবলীল নৃত্যরীতি এবং সংস্কৃতির সঙ্গে গভীর সংযোগ তাকে একজন বহুমুখী শিল্পী হিসেবে অনন্য উচ্চতা দিয়েছে।
বর্তমানে তিনি খবরের শিরোনামে রয়েছেন তার সাম্প্রতিক ছবি 'দৃশ্যম ৩'-এর অভাবনীয় সাফল্যের কারণে। ছবিটি মুক্তির প্রথম দিনেই বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে প্রায় ১০০ কোটি রুপি আয় করে হৈচৈ ফেলে দিয়েছে। দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রীদের একজন হিসেবে তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি রাশিয়া নিবাসী টেনিস খেলোয়াড় ও উদ্যোক্তা আন্দ্রে কোশ্চিভকে গোপনে বিয়ে করেন। বর্তমানে স্বামী আন্দ্রে এবং কন্যা রাধাকে নিয়ে মুম্বাইয়ের একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে সুখের সংসার করছেন তিনি।
পর্দার গ্ল্যামার থেকে শুরু করে বাস্তব জীবনের রাজকীয়তা—সব মিলিয়ে শ্রিয়া সরণ এখন বিনোদন জগতের এক উজ্জ্বল ও প্রভাবশালী নাম। তার ক্যারিয়ারের এই দুর্দান্ত সময় এবং নতুন ছবির সাফল্য তার জনপ্রিয়তাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে।
বিনোদন
ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।