‘শুক্রবারের গরুভোজ’ কর্মসূচির জবি শিক্ষার্থীদের

Oct 16, 2026 - 10:08
Oct 16, 2026 - 10:09
 0  1
‘শুক্রবারের গরুভোজ’ কর্মসূচির জবি শিক্ষার্থীদের

পশু জবাইয়ের ওপর প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য (ভিসি) ভবনের পাশেই গরু জবাই করেছেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে ভিসি ভবন ও গণিত বিভাগের মাঝের সড়কে পশু জবাই করা হয়। ‘শুক্রবারের গরুভোজ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ আয়োজন চলছে বলে জানা গেছে।

এর আগে পশু জবাই নিয়ে প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিকে কেন্দ্র করে বিতর্ক ও বিক্ষোভের পর গতকাল বৃহস্পতিবার গরুভোজ কর্মসূচির জন্য ১ লাখ ২৫ হাজার টাকায় একটি গরু কেনা হয়।

জানা গেছে, বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস থেকে ক্যাম্পাসে সব ধরনের পশু জবাই থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে দেওয়া ওই বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনা অমান্য করলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।

এরপর জকসুর সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মাসুদ রানা ‘জবিয়ানদের গরু ভোজ কর্মসূচি’ আয়োজনের ঘোষণা দেন। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি আয়োজনের কথা জানিয়ে অংশগ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য ৭০ টাকা নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে নিবন্ধনের জন্য একটি গুগল ফর্মের লিংকও প্রকাশ করা হয়।

পরে বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে জকসুর উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার ও প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে জকসুর নেতারা বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার, নৈশভোজের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক উসকানিতে রূপ দেওয়ার অভিযোগ তদন্ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় গরু ও খাসির মাংস অন্তর্ভুক্ত করা এবং ক্যাম্পাসে ধর্মীয় সম্প্রীতি নিশ্চিত করাসহ চার দফা দাবি জানান।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত প্রক্টরের দায়িত্বে নিয়োজিত অধ্যাপক ড. মো. আজম খান এর আগে জানিয়েছিলেন, প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে মার্জিত ও সুশৃঙ্খলভাবে গরুভোজ কর্মসূচি আয়োজন করা হলে তাদের কোনো আপত্তি থাকবে না।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

গবেষণা Vision: বাংলা ভাষায় গবেষণা, ডেটা জার্নালিজম, জননীতি বিশ্লেষণ এবং জনবুদ্ধিমত্তা (Public Intelligence)-এর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Media-Based Think Tank হওয়া; যা সরকার, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়, উন্নয়ন অংশীদার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিক সমাজের জন্য একটি শীর্ষস্থানীয় জ্ঞানভান্ডার ও নীতিগত রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: গবেষণা, ডেটা, জরিপ, নীতি বিশ্লেষণ, প্রমাণভিত্তিক সাংবাদিকতা এবং বহুমাত্রিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য জ্ঞান উৎপাদন করা; যাতে জটিল জাতীয় ও বৈশ্বিক বিষয়গুলোকে গভীরভাবে বোঝা যায় এবং তথ্যসমৃদ্ধ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করা যায়।