২৮ সেপ্টেম্বর থেকে সংলাপ করতে চায় ইসি

Sep 23, 2025 - 16:56
Sep 23, 2025 - 16:56
 0  19
২৮ সেপ্টেম্বর থেকে সংলাপ করতে চায় ইসি

বিনা ডেস্ক 

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে সংলাপ শুরু করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 

আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক এই তথ্য জানান। 

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সম্মতির পর আমন্ত্রিতদের কাছে চিঠি পাঠানো হবে। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে ২৮ সেপ্টেম্বর সংলাপের বিষয়ে অনুমোদন চেয়েছি। সম্ভাব্য এ  সময় থেকে সংলাপ শুরু হয়ে ধাপে ধাপে অন্যদেরও আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন। 

এবারের সংলাপে আলোচ্য সূচি কী নির্ধারণ করা হয়েছে সে বিষয়ে জানানো হয়নি। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দলগুলোর ধারাবাহিক সংলাপ চলছে। এ কমিশনের মেয়াদও রয়েছে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত। এই সংলাপের প্রথম ধাপেই আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে শিক্ষাবিদসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের। 

ইসির ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, শিক্ষাবিদ, সুশীল সমাজ, নারী সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীসহ অংশীজনদের সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ শুরু করে চলবে ১ থেকে দেড় মাস পর্যন্ত।

নতুন দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলমান থাকায় অক্টোবরে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, সংলাপে যাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে, তাদের তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। সংলাপসূচি নির্ধারণের অন্তত এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিন আগে দলগুলোকে চিঠি (আমন্ত্রণ, কতজন প্রতিনিধি আসবে, লিখিত মতামত) পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সাপ্তাহিক ছুটি, পূজা ও অন্যান্য ছুটি বিবেচনায় রেখে অক্টোবরজুড়ে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ চলতে পারে।

এম এম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন কমিশনের এটি হবে প্রথম সংলাপ আয়োজন। নির্বাচনি আইনি সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পোস্টাল ব্যালটসহ ভোট সম্পৃক্ত সার্বিক বিষয় এই সংলাপে স্থান পাবে।

উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, ‘রোডম্যাপে যে সময় রয়েছে, সে অনুযায়ী এ মাসের শেষ দিকে শুরু করবো। ইসি সচিবালয় এটা জানিয়ে দেবে। দুয়েক দিন এদিক-ওদিক হতে পারে, তবে রোডম্যাপ অনুসরণ করেই এগোবো।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ন্যাশনাল ভিশন: বাংলাদেশের জাতীয় জনজীবন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি কার্যক্রম এবং নাগরিক বাস্তবতার সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, জবাবদিহিমূলক ও জনস্বার্থভিত্তিক সংবাদ ও জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক এবং গণমাধ্যমের জন্য জাতীয় ঘটনাপ্রবাহের প্রধান রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: রাজধানী, মন্ত্রণালয়, সংসদ, আদালত, নির্বাচন, জনসেবা এবং নাগরিক জীবনের প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি দ্রুত, নির্ভুল, প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ এবং ভারসাম্যপূর্ণভাবে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা রাষ্ট্রের কার্যক্রম, সরকারি সিদ্ধান্ত এবং সেগুলোর বাস্তব প্রভাব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারেন।