২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার:সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী

Jul 21, 2026 - 11:22
 0  9
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার:সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মর্মান্তিক মৃত্যু হয় সড়ক দুর্ঘটনায়। তাই ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রাবিউল আলম। 

গতকাল সোমবার(২০ জুলাই) জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নবিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দেওয়া এক বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানিয়েছেন।
 
তিনি জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, দুর্ঘটনাপরবর্তী জরুরি সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিশেষ করে পথচারীদের নিরাপত্তায় মহাসড়কে লক্ষ্যভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার কাজ করছে।


তিনি আরো বলেন, রোড সেফটি ২০২১-২০৩০ দশকব্যাপী বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

 
মন্ত্রী আরোও বলেন, সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ ও আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার আলোকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত, অনুমোদন ও প্রণয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় রাজনৈতিক অগ্রাধিকার উল্লেখ করে শেখ রাবিউল আলম বলেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ় রাজনৈতিক অঙ্গীকার, কার্যকর অংশীদারত্ব এবং সবার যৌথ দায়িত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও সবার জন্য সমতাভিত্তিক সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে বাংলাদেশ কাজ চালিয়ে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


এ লক্ষ্য অর্জনে আইনি, নীতিগত ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে চলছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।

 
প্রতিনিধি দলে রয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ শাব্বির হাসান খান ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ন্যাশনাল ভিশন: বাংলাদেশের জাতীয় জনজীবন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি কার্যক্রম এবং নাগরিক বাস্তবতার সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, জবাবদিহিমূলক ও জনস্বার্থভিত্তিক সংবাদ ও জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক এবং গণমাধ্যমের জন্য জাতীয় ঘটনাপ্রবাহের প্রধান রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: রাজধানী, মন্ত্রণালয়, সংসদ, আদালত, নির্বাচন, জনসেবা এবং নাগরিক জীবনের প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি দ্রুত, নির্ভুল, প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ এবং ভারসাম্যপূর্ণভাবে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা রাষ্ট্রের কার্যক্রম, সরকারি সিদ্ধান্ত এবং সেগুলোর বাস্তব প্রভাব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারেন।