কুমিল্লায় এপেক্স ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নানকে বিচারিক ক্ষমতা ফিরিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। বিজয় একাত্তর ভবনের ৯ নম্বর কোর্টে একক দেওয়ানী বেঞ্চে বিচারকাজ পরিচালনা করছেন তিনি।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এছাড়া হাইকোর্টের বেঞ্চের কার্যতালিকায় বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নানের বিচারিক এখতিয়ারসহ নাম রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, একটি ঘটনার কারণে গত এপ্রিল মাসে বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নানকে বিচারকাজ থেকে বিরত রেখেছিলেন প্রধান বিচারপতি। সম্প্রতি তাকে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য নতুন করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কোন বিচারপতিকে বেঞ্চ দেওয়া বা বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা এটা সম্পূর্ণ প্রধান বিচারপতির এখতিয়ার।
এর আগে গত এপ্রিল মাসে কুমিল্লায় এপেক্স ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দেন প্রধান বিচারপতি।
গত এপ্রিলে প্রধান বিচারপতি বিচারকাজ পরিচালনার জন্য যে ৬৩টি বেঞ্চ গঠন করেছেন, সেখানে বিচারপতি আব্দুল মান্নানের নাম ছিল না। তাকে বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা হয়।
গত ৩ এপ্রিল কুমিল্লায় এপেক্স ক্লাবের অনুষ্ঠানে গিয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বিচারপতি আব্দুল মান্নান। তিনি সেখানে বিচারপতি পরিচয় দিয়ে হুমকি দেন এবং বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। বিচারপতির এমন আচরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নান হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এর আগে তিনি পিরোজপুর জেলার জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাংলাদেশ
ভিশন: বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকার, উন্নয়ন, নীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় রূপান্তর সম্পর্কে বাংলা ভাষার সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মিশন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, শাসনব্যবস্থা, জননীতি, জাতীয় উন্নয়ন, মেগা প্রকল্প এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুসমূহকে তথ্য-যাচাই, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা শুধু "কি ঘটেছে" নয়, বরং "কেন ঘটেছে", "এর প্রভাব কী" এবং "এর ভবিষ্যৎ তাৎপর্য কী"—তা বুঝতে পারেন।