স্পেনের দুই ক্লাবের মালিক হলেন মেসি

Oct 2, 2026 - 14:42
 0  1
স্পেনের দুই ক্লাবের মালিক হলেন মেসি
ছবি:সংগৃহীত

আগেই জানা গিয়েছিল, স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের দল এলদেনসের মালিকানা অর্জনে প্রাথমিক চুক্তি করেছেন লিওনেল মেসি। সেই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ক্লাবটি নিশ্চিত করেছে, মেসি।

এক বিবৃতিতে ক্লাবটি জানিয়েছে, ‘ক্লাব দেপোর্তিভো এলদেনসে আনুষ্ঠানিকভাবে লিও মেসির মাধ্যমে ক্লাবটি অধিগ্রহণের ঘোষণা দিচ্ছে। এর মাধ্যমে ক্লাবটির ১০০ বছরেরও বেশি পুরোনো ইতিহাসে একটি নতুন ও রোমাঞ্চকর অধ্যায়ের সূচনা হলো।’ 

ক্লাবটি আরও জানিয়েছে, ‘ক্রীড়া ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের সিডি এলদেনসের মালিক হিসেবে স্প্যানিশ পেশাদার ফুটবলে আগমন ক্লাবটির ক্রীড়াগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্পের সূচনা করেছে।’

এলদেনসে বর্তমানে কলম্বিয়ান ইনভেস্টমেন্ট গ্রুপ গ্রুপো টিএইচ-এর মালিকানাধীন। তাদের কলম্বিয়া ও সুইজারল্যান্ডেও ক্লাব আছে। চুক্তিটি এখনও স্পেনের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অনুমোদনের অপেক্ষায়।

এলদেনসে স্পেনে মেসির মালিকানাধীন দ্বিতীয় ক্লাব। এর আগে কর্নেলারও মালিকানা কিনেছেন মেসি। এই বছরের শুরুতে বার্সেলোনা শহরের পঞ্চম বিভাগীয় দলটি কিনেছিলেন তিনি।

মেসি এই প্রথমবার কোনো পেশাদার ক্লাবে বিনিয়োগ করলেন। কর্নেয়া এখনও আধা পেশাদার। দুই দলের মধ্যে তিনটি বিভাগের তফাত থাকায় অদূর ভবিষ্যতে দুটি ক্লাবের মালিকানা নিয়ে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কম।

এলদেনসে ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত। ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় তারা স্প্যানিশ ফুটবলের শীর্ষ দুটি বিভাগের বাইরে ছিল। ১৯৬৪ সালের পর প্রথমবার ২০২৩ সালে তারা দ্বিতীয় বিভাগে উন্নীত হয়। পরে ২০২৫ সালে অবনমিত হয়ে তৃতীয় বিভাগে খেলছে। ক্লাবটি এলদা শহরের ৫৭৭৬ আসনের নুয়েভো পেপিকো আমাত স্টেডিয়ামে হোম ম্যাচ খেলে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।