বলিউডের বহুল আলোচিত সিনেমা সালমান খানের ‘মাতৃভূমি: মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস’ নিয়ে নতুন খবর সামনে এসেছে। চলতি সপ্তাহেই সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্রের জন্য সিনেমাটি জমা দেওয়ার কথা। তবে তার আগেই ছবিটিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানা গেছে। শেষ মুহূর্তে বদলে ফেলা হয়েছে সিনেমাটির ক্লাইম্যাক্স।
জানা গেছে, পরিচালক অপূর্ব লাখিয়া ও ছবির লেখকদের দল নতুন করে সিনেমাটির শেষ দৃশ্য সাজিয়েছেন। শুধু কয়েকটি সংলাপ বা দৃশ্যের কাটছাঁট নয়, ক্লাইম্যাক্সের উপস্থাপনাতেই বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট সূত্রের।
সালমানের এই সিনেমায় পরিবর্তনের ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। শুরুতে ছবিটির নাম ছিল ‘ব্যাটল অব গালওয়ান’। ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনের সেনাদের সংঘাতের সত্য ঘটনা অবলম্বনে সিনেমাটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এতে ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা কর্নেল বিকুমাল্লা সন্তোষ বাবুর চরিত্রে সালমানের অভিনয় করার কথা ছিল।
তবে সময়ের সঙ্গে ভারত ও চীনের সম্পর্কের সমীকরণে পরিবর্তন আসে। বর্তমান কূটনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নির্মাতারা ছবির গল্প ও উপস্থাপনায় পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেন। সেই ধারাবাহিকতায় সিনেমার নামও বদলে রাখা হয় ‘মাতৃভূমি: মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস’।
নাম ও গল্পের সুর বদলের পর এবার প্রভাব পড়েছে ক্লাইম্যাক্সেও। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, নতুন করে শুট করা শেষ দৃশ্যে যুদ্ধের উত্তেজনার পাশাপাশি সালমানের চরিত্রের মানসিক পরিবর্তন ও উত্তরণের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। অর্থাৎ শুধু সংঘাতের গল্প নয়, শেষ পর্যন্ত শান্তির বার্তাকেই সামনে আনা হয়েছে।
একটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ভারত-চীন সংঘাতের মতো স্পর্শকাতর বিষয় পর্দায় কীভাবে উপস্থাপন করা হবে, তা নিয়ে নির্মাতারা শুরু থেকেই সতর্ক ছিলেন। নতুন করে শুট করা ক্লাইম্যাক্সে দর্শকদের জন্য অন্যরকম আবেগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে এটি সিনেমার মূল ভাবনা-শান্তির আহ্বানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও দাবি করা হয়েছে।
এরই মধ্যে সংশোধিত সংস্করণে সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে জানা গেছে। এবার সিনেমাটির সেন্সর ছাড়পত্র পাওয়ার অপেক্ষা।
শেষ মুহূর্তে ক্লাইম্যাক্স বদলের পর ‘মাতৃভূমি: মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস’ দর্শকদের সামনে কীভাবে হাজির হয় এবং সালমানের এই নতুন যুদ্ধভিত্তিক সিনেমা বক্স অফিসে কতটা সাড়া ফেলে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
বিনোদন
ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।