শূন্য থেকে বিশ্বজয় লামিন ইয়ামাল
মানুষের চেষ্টা তাকে জীবনের সর্বোচ্চ পযার্য়ের পৌঁছে দেয়। চেষ্টা করলে যে মানুষ সবই করতে পারেন তারই প্রমান যেন দিলেন ১৯ বছর বয়সী ফুটবল প্লেয়ার লামিন ইয়ামাল।
লামিনের জন্মের সময় তার বাবা-মা খুবই কম বয়সী ছিলেন। তার মা মাত্র ১৬ বছর বয়সী ছিলেন এবং অত্যন্ত দরিদ্র ছিলেন। বাড়িভাড়া দেওয়ার মতো ন্যূনতম অর্থও তাদের কাছে ছিল না। তারা বার্সেলোনার মাতারোর রোকাফন্ডা (Rocafonda) নামক একটি দরিদ্র অভিবাসী এলাকায় অত্যন্ত ছোট একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন।
লামিন নিজেই এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তারা এমন একটি ঘরে থাকতেন যেখানে শোবার ঘর এবং রান্নাঘর একই চার দেয়ালের ভেতর ছিল।
পরিবারকে খাওয়ানোর জন্য তার বাবা মুনির নাস্রাউই রাস্তায় ময়লা বা আবর্জনা সংগ্রাহক হিসেবে কাজ করাসহ যেকোনো ছোটখাটো কাজ করতেন। তার মা শেইলা এবানা একটি রেস্তোরাঁয় ওয়েট্রেস হিসেবে কাজ করতেন।
সে সময় 'লামিন' এবং 'ইয়ামাল' নামের দুজন প্রতিবেশী বা পরিচিত ব্যক্তি তাদের বাড়িভাড়া দিয়ে এবং আশ্রয় দিয়ে সাহায্য করেছিলেন। সেই উপকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা থেকেই তার বাবা-মা ছেলের নাম রাখেন 'লামিন ইয়ামাল'।
আজ সেই দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া সন্তানই একজন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান। যার নামে এখন মুখরিত ফুটবল বিশ্ব। তাদের পায়ের ফুটবল যাদু দেখর জন্য অপেক্ষা করেন হাজারো দর্শক।
লামিন বলেন," আমি আমার বাবা মাকে একটি আনন্দের জীবন দিতে পেরে অনেক খুশি একথা একাধিক বার স্বীকার করেছেন।
What's Your Reaction?