শিক্ষকদের টিকটক নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

Sep 20, 2026 - 20:24
Sep 20, 2026 - 20:25
 0  3
শিক্ষকদের টিকটক নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষকদের অবসর সময়ে টিকটক বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বাধা দেওয়ার বিষয়টি ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান। তবে কোনো স্কুল যদি নীতিমালা করে ক্লাসরুমে টিকটক করা যাবে না তাহলে সেটি অন্যায় হবে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর লেকশোর হোটেলে এক সংলাপে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা টিকটক করতে পারবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা। আপনার ফ্রি টাইমে কী করবেন, বিষয়টি আপনার ব্যক্তিগত বিষয়। আমরা যদি স্কুলের পলিসি করে দিই, ক্লাসরুমে টিকটক করা যাবে না। তাহলে সেটা অন্যায়।’

প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষকদের বেতন কোনো ‘ইস্যু নয়’। তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা মাত্র সাত মাসের হলেও এ বিষয়ে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষকদের কাছ থেকে তিনি শিখতে চান।

তিনি বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা মাত্র সাত মাসের। এখানে যারা আছেন, তাদের বেশির ভাগের অভিজ্ঞতা ৭, ১৭, ২৭ বছরের। তাই আমি আপনাদের সঙ্গে নিশ্চয়ই তর্ক করব না, আপনাদের কাছ থেকে শিখতেই এসেছি। তবে সাত মাসে আমি পরিসংখ্যানের জায়গা থেকে প্রাসঙ্গিক সংখ্যাগুলো দেখে ফেলেছি।’

প্রাথমিক শিক্ষকদের বর্তমান বেতন কাঠামোর তথ্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে একজন প্রাথমিক শিক্ষক ন্যূনতম স্নাতক শেষ করে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কর্মস্থলে যোগ দেন এবং সরকারি বেতন কাঠামোর ১৩তম গ্রেডে বেতন-ভাতা পান।

নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী এ পদে মূল বেতন ২৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এতদিন এ পদে মূল বেতন ছিল ১১ হাজার টাকা, যেখানে অন্যান্য ভাতাসহ চাকরির শুরুতে মোট বেতন ২০ হাজার টাকার নিচে থাকত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ফিচার Vision: বাংলা ভাষায় গভীর অনুসন্ধান, দীর্ঘ আকারের সাংবাদিকতা, মানবিক গল্প এবং বিশ্লেষণধর্মী বর্ণনামূলক প্রতিবেদনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও বিশ্বাসযোগ্য Narrative Journalism Platform হওয়া; যা সময়, সমাজ এবং মানুষের পরিবর্তনের একটি স্থায়ী জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: সমসাময়িক ঘটনা, ব্যক্তি, সমাজ, সংস্কৃতি, ধারণা এবং পরিবর্তনকে গভীর গবেষণা, অনুসন্ধান, সাক্ষাৎকার, তথ্য, ইতিহাস এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক কেবল ঘটনা জানতে না পারেন, বরং সেই ঘটনার মানবিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক তাৎপর্যও উপলব্ধি করতে পারেন।