রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার ইউক্রেন, নিহত ৮

Jul 12, 2026 - 17:54
Jul 12, 2026 - 17:55
 0  8
রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার ইউক্রেন, নিহত ৮

ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে শনিবার (১১ জুলাই) ক্ষেপণাস্ত্র, গাইডেড বোমা এবং ড্রোন দিয়ে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উক্ত হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত এবং প্রায় ১২ জন মানুষ আহত হয়েছে।

এদিকে, রাজধানী কিয়েভেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই শিশুসহ ১২ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন শহরের মেয়র।

কিয়েভে অবস্থানরত সাংবাদিকরা জানান, ভোররাতে পরপর দুটি বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।  প্রথম বিস্ফোরণের পরপরই শহরে বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে রাশিয়া প্রায় প্রতিদিনই কিয়েভে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অতি দ্রুতগতির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে একের পর এক হামলায় ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ বেড়েছে।

এদিকে, রাতভর রাশিয়া ১২০টির বেশি ড্রোন এবং ১২টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এর মধ্যে অর্ধেকই ছিল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।

তিনি বলেন, ‘বিমান হামলার সতর্কবার্তা জারির আগেই বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা হয়েছে।’

জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্ধারকর্মীদের ধ্বংসস্তূপে কাজ করার ভিডিও প্রকাশ করেন। তিনি জানান, কিয়েভে আবাসিক ভবন, অফিস এবং একটি ধর্মতাত্ত্বিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের আরও কয়েকটি অঞ্চলে উদ্ধার অভিযান চলছে।


এদিকে, উত্তরাঞ্চলের সুমি শহরে রাশিয়ার গাইডেড বিমান বোমার হামলায়  একটি ছোট মেয়েসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন শহরের মেয়র আরতেম কোবজার।

ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছেন, পূর্বাঞ্চলের স্লোভিয়ানস্ক  শহরে রুশ হামলায় প্রাণ হারিয়েছে একজন এবং দক্ষিণাঞ্চলের ওডেসা শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক ভিশন: বাংলা ভাষাভাষী বিশ্বের জন্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি, কূটনীতি, ভূরাজনীতি, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং বিশ্বপরিবর্তনের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর ও প্রভাবশালী জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা বিশ্বকে বোঝার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পাঠকের প্রথম রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত ঘটনাবলিকে তথ্য, গবেষণা, প্রেক্ষাপট এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক শুধু "বিশ্বে কী ঘটছে" তা নয়, বরং "কেন ঘটছে", "বাংলাদেশের জন্য এর অর্থ কী" এবং "ভবিষ্যতে এর সম্ভাব্য প্রভাব কী"—তা গভীরভাবে বুঝতে পারেন।