রাফিনিয়ার চোট যা বললেন ব্রাজিল কোচ

Sep 30, 2026 - 12:37
 0  2
রাফিনিয়ার চোট যা বললেন ব্রাজিল কোচ
ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ৪-২ গোলের উড়ন্ত জয় পেয়েছে ব্রাজিল। সানকর্প স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর এই জয়ে উল্লাসের আবহ থাকার কথা থাকলেও, সেলেসাওদের ম্যাচ শেষে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বার্সেলোনা তারকা রাফিনিয়ার ইনজুরি। থমার্ধের বিরতির পরই চোটের অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।

তবে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডের চোটের আশঙ্কার খবর উড়িয়ে দিয়েছেন ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড আনচেলত্তি। রাফিনিয়াকে তুলে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘রাফিনিয়া চোট পাননি, কেবল কিছুটা অস্বস্তি বোধ করছিলেন। তাই বাড়তি ঝুঁকি না নিয়ে তাকে বিশ্রামের সুযোগ দিতেই তুলে নেওয়া হয়েছে।

মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার পরই সিদ্ধান্ত হবে তাকে বার্সেলোনায় ফেরানো হবে নাকি স্কোয়াডেই রাখা হবে। আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি, সে জানিয়েছে—‘আমি ঠিক আছি।’
এদিকে পুরো ম্যাচ মাতিয়ে রাখা এবং চমৎকার গোল পাওয়া ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পারফরম্যান্সে বেশ উচ্ছ্বসিত কোচ। কিছুদিন ধরে ভিনির ফর্ম নিয়ে ওঠা সমালোচনার জবাবে সাবেক রিয়াল কোচ দর্শকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমি ভিনিকে খুব ভালোভাবেই চিনি।

আমার ফুটবল-যাত্রাজুড়ে সে যেমন ছিল, ভবিষ্যতেও ব্রাজিলের হয়ে সে তেমনই অপরিহার্য ভূমিকা পালন করবে। এটা সত্যি যে সে এখন নিজের সেরা ফর্মে নেই, তা সত্ত্বেও একা ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা তার আছে এবং আজকেও সেটাই করে দেখিয়েছে।’
ভিনির পেনাল্টি নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যেহেতু সে ম্যাচে আগেই গোল পেয়েছিল, তাই আমি সিদ্ধান্ত নিই পেনাল্টিটি তারই নেওয়া উচিত, কারণ এই গোলটি পাওয়ার যোগ্যতা তার ছিল। ব্যক্তিগতভাবে আমি তার প্রতি যথেষ্ট ধৈর্যশীল থাকব, কারণ সে এই ধৈর্যের দাবি রাখে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।