যাত্রী নিয়ে ওড়ার আগমুহূর্তে বিমানে আগুন

Jul 27, 2025 - 15:57
Jul 27, 2025 - 15:57
 0  17
যাত্রী নিয়ে ওড়ার আগমুহূর্তে বিমানে আগুন

বিশ্ব ডেস্ক 

আমেরিকার কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের ডেনভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৭৩ জন যাত্রী নিয়ে উড্ডয়নের আগমুহূর্তে বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে সবকিছু, আর বিমানের পেছনের অংশ থেকে দেখা যায় দগদগে আগুন ও কালো ধোঁয়া।
 
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, যাত্রীবাহী আমেরিকান এয়ারলাইন্স-এর এই বিমানটির ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যা থেকেই আগুনের সূত্রপাত। বিমানটি জরুরি অবতরণ করে এবং যাত্রীদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়। এতে একজন আহত হন। তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

গতকাল স্থানীয় সময় বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটে ডেনভার থেকে মিয়ামি গামী আমেরিকান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ৩০২৩ বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ উড়াল দেওয়ার আগমুহূর্তে এই ঘটনা ঘটে। বিমানটি তখনো রানওয়েতে ছিল। এক যাত্রী ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, ধোঁয়ার মধ্যে যাত্রীরা স্লাইড ব্যবহার করে দ্রুত বিমান থেকে নামছেন।

বিমানে থাকা ১৭৩ যাত্রী ও ছয়জন ক্রু সদস্য সবাই নিরাপদে বের হয়ে আসেন। ডেনভার ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানায়, পাঁচজনকে ঘটনাস্থলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং একজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী যাত্রী মার্ক সর্কিস সিবিএসকে বলেন, ‘বিমানটি যখন উড়াল দেওয়ার জন্য গতি বাড়াচ্ছিল, তখন বিকট শব্দ হয়। আমি বলি, এটা ভালো লক্ষণ নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভাগ্য ভালো যে আমরা তখনো আকাশে উঠিনি, মাত্র কয়েক সেকেন্ড বাকি ছিল। পাইলট সঙ্গে সঙ্গে গতি কমিয়ে বিমান থামিয়ে দেন। কিছু সময় পর দেখা যায় ধোঁয়া উঠছে, তখনই যাত্রীদের বের করে আনা শুরু হয়।’

এফএএ (ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) এক বিবৃতিতে জানায়, ল্যান্ডিং গিয়ারে ত্রুটি ধরা পড়ার পর বিমানের উড্ডয়ন বাতিল করা হয়। আমেরিকান এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, বিমানের এক টায়ারের ত্রুটির কারণে এই ‘মেইনটেনেন্স ইস্যু’ দেখা দেয়। এরপর বিমানটিকে পরিষেবার বাইরে রাখা হয়েছে।

ঘটনার সময় বিমানবন্দরে অন্তত ৩০৬টি ফ্লাইটে বিলম্ব হয়। বিকেল ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত সব আগত ফ্লাইটের জন্য সাময়িক গ্রাউন্ড স্টপ জারি করা হয়েছিল। পরে বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়ে আসে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক ভিশন: বাংলা ভাষাভাষী বিশ্বের জন্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি, কূটনীতি, ভূরাজনীতি, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং বিশ্বপরিবর্তনের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর ও প্রভাবশালী জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা বিশ্বকে বোঝার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পাঠকের প্রথম রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত ঘটনাবলিকে তথ্য, গবেষণা, প্রেক্ষাপট এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক শুধু "বিশ্বে কী ঘটছে" তা নয়, বরং "কেন ঘটছে", "বাংলাদেশের জন্য এর অর্থ কী" এবং "ভবিষ্যতে এর সম্ভাব্য প্রভাব কী"—তা গভীরভাবে বুঝতে পারেন।