মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের আপিল শুনানি মুলতবি

Sep 8, 2026 - 18:09
 0  8
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের আপিল শুনানি মুলতবি
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আযাদের আপিলসংক্রান্ত শুনানি সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটির পর চার সপ্তাহের জন্য মুলতবি করেছেন আপিল বিভাগ।
 
মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
 
আদালতে আবুল কালাম আযাদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
 
আবেদনে আবুল কালাম আযাদ বিলম্ব মার্জনা এবং আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার মৃত্যুদণ্ডের সাজা স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছেন। শুনানি শেষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক সাংবাদিকদের বলেন, অবকাশকালীন ছুটি শেষে চার সপ্তাহ পর্যন্ত বিষয়টি মুলতবি রাখা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে তার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করার জন্য আদালত মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছেন।
 
২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি পলাতক অবস্থায় আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। স্বাধীনতার ৪১ বছর পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটিই ছিল দেশের প্রথম রায়।  
 
মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় হত্যা, নির্যাতন, অপহরণ ও অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়।
 
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন। পরে জানা যায়, আত্মসমর্পণ করে আপিল করার শর্তে তার মৃত্যুদণ্ডের সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন গত বছরের ২২ অক্টোবর জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
 
আত্মসমর্পণের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ তাকে আপিলের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের নির্দেশ দেন। পরে তিনি আপিল দায়ের করেন।
 
সুপ্রিম কোর্টের বার্ষিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে অবকাশ থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বাংলাদেশ ভিশন: বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকার, উন্নয়ন, নীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় রূপান্তর সম্পর্কে বাংলা ভাষার সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, শাসনব্যবস্থা, জননীতি, জাতীয় উন্নয়ন, মেগা প্রকল্প এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুসমূহকে তথ্য-যাচাই, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা শুধু "কি ঘটেছে" নয়, বরং "কেন ঘটেছে", "এর প্রভাব কী" এবং "এর ভবিষ্যৎ তাৎপর্য কী"—তা বুঝতে পারেন।