বিদ্যা বালানকে প্রযোজকের সার্জারির পরামর্শ !

Aug 3, 2025 - 10:11
Sep 4, 2026 - 02:37
 0  31
বিদ্যা বালানকে প্রযোজকের সার্জারির পরামর্শ !

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি ‘পরিণীতা’ সিনেমা দিয়ে ২০০৫ সালে বলিউডে যাত্রা শুরু করেন বিদ্যা বালান। ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন প্রদীপ সরকার এবং প্রযোজনা করেছিলেন বিধু বিনোদ চোপড়া। প্রথম ছবিতেই প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন বিদ্যা, তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানালেন, এই যাত্রার শুরুটা খুব মসৃণ ছিল না।

বিদ্যা বলেন, ‘ছবির শুটিং শুরুর আগে বিধু বিনোদ চোপড়া আমাকে বলেছিলেন, ‘তোমার নাকটা খুব লম্বা, সার্জারি করাও।’ তখন ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। সোজাসুজি বলে দিয়েছিলাম, আমি এটা করব না। আমি যেমন আছি, তেমনই থাকতে চাই। আজ পর্যন্ত নিজের মুখে কিছুই করাইনি, শুধু মাঝেমধ্যে ফেশিয়াল করাই। ঈশ্বর যেমন সৃষ্টি করেছেন, সেটাই আমার কাছে যথেষ্ট সুন্দর।’

বিদ্যা আরও জানান, বলিউডে নয়, এর আগেও এমন অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতা হয়েছিল তার। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এক মালয়ালম ছবিতে কাজ করার সময় তাকে বলা হয়েছিল নিজের পদবি বদলাতে। 

বিদ্যা বলেন, ‘আমাকে বলা হয়েছিল, তুমি তো আইয়ার, তাহলে ‘বিদ্যা আইয়ার’ নামেই কাজ করো, ‘বিদ্যা বালান’ নয়।’ তখন রাজি হয়ে নাম পাল্টেও ফেলেছিলাম, কিন্তু বাড়ি ফিরে কেঁদে ফেলি। মা-বাবা তখন বলেছিলেন, ‘তুমি সবসময়ই বিদ্যা বালনই থাকবে।’ পরে সেই ছবিটাও আর হয়নি।’

তবে সব মিলিয়ে বিদ্যার অভিজ্ঞতা খুব একটা খারাপ ছিল না। বিদ্যা বলেন, ‘বিধু বিনোদ চোপড়ার প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে আমি প্রথম তিনটি ছবি করেছি। খুবই গুছিয়ে, পেশাদার পরিবেশে কাজ হত। সময়মতো সব প্রস্তুতি থাকত, সেটে গিয়ে আর ঝামেলা হতো না। তাই এই প্রতিষ্ঠানকে আমি নিজের ‘আলমা মেটার’ বলে মনে করি।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।