বিচ্ছেদের ১২ বছর পর ফের বিয়ে করলেন অভিনেত্রী জেনিফার উইনগেট

Jul 18, 2026 - 20:34
Sep 4, 2026 - 02:22
 0  7
বিচ্ছেদের ১২ বছর পর ফের বিয়ে করলেন অভিনেত্রী জেনিফার উইনগেট

জীবনের কঠিন সময় পেরিয়ে নতুন করে সংসার শুরু করলেন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেনিফার উইনগেট। প্রথম সংসার ভাঙার ১২ বছর পর দীর্ঘদিনের সঙ্গী উইলিয়াম ইসমাইলের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করলেন তিনি। 

১৬ জুলাই লন্ডনে পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে একান্ত ঘরোয়া আয়োজনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি।

বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে নবদম্পতির বেশ কয়েকটি ছবি ও ভিডিও। সেই সঙ্গে ভক্ত-অনুরাগীদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন এই অভিনেত্রী। একটি ফ্যান পেজে শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, খ্রিস্টান রীতিতে বিয়ের অনুষ্ঠানে ধবধবে সাদা ডিজাইনার গাউনে সেজেছেন জেনিফার। মাথায় ছিল ঐতিহ্যবাহী বিয়ের ভেইল। এক ভিডিওতে নিজের বিয়ের পোশাক ও সাজ নিয়েও হাসিমুখে কথা বলতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে।

এটি জেনিফারের দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে অভিনেতা করণ সিং গ্রোভারের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। তবে দুই বছরের মধ্যেই সেই সম্পর্কের ইতি ঘটে। বিচ্ছেদের পর মানসিকভাবে কঠিন সময় পার করতে হয়েছিল তাকে। দীর্ঘ সময় পর অতীতের সেই অধ্যায় পেছনে ফেলে আবারও নতুন জীবন শুরু করলেন তিনি।

জানা গেছে, জেনিফারের স্বামী উইলিয়াম ইসমাইল সিঙ্গাপুরভিত্তিক একজন ব্যবসায়ী। বর্তমানে তিনি এমএইচসি ডিজিটাল গ্রুপে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি ও ফিন্যান্স বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। এর আগে ইউবিএস ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকেও কাজ করেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্কের বিষয়ে নীরব থাকলেও শেষ পর্যন্ত ঘনিষ্ঠ পরিসরে বিয়ের আয়োজন করে নতুন জীবনের সূচনা করলেন জেনিফার ও উইলিয়াম। তাদের এই নতুন পথচলার জন্য শুভকামনা জানাচ্ছেন ভক্তরা। সূত্র: দ্য ওয়াল

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।