বাবার লেখা ‘না জাগলে গাছের ডালে হাজার পাখির ঝাঁক’ গান নিয়ে দিঠি আনোয়ার

Jul 17, 2026 - 21:00
Sep 4, 2026 - 02:23
 0  9
বাবার লেখা ‘না জাগলে গাছের ডালে হাজার পাখির ঝাঁক’ গান নিয়ে দিঠি আনোয়ার

কিংবদন্তি গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের কালজয়ী দেশাত্মবোধক গানের উত্তরাধিকার নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এবার তারই কন্যা, জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী দিঠি আনোয়ার নিয়ে আসছেন নতুন একটি গান। বাবার লেখা ‘না জাগলে গাছের ডালে হাজার পাখির ঝাঁক’ শিরোনামের গানটি শিগগিরই প্রকাশ পাবে তার ইউটিউব চ্যানেল ‘দিঠি আনোয়ার’-এ।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে দিঠি আনোয়ার জানান, গানটির কথা লিখেছেন তার বাবা গাজী মাজহারুল আনোয়ার। সুর করেছেন সজল দাস এবং সংগীতায়োজন করেছেন অপু আমান। আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই গানটি প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।

দিঠি আনোয়ার বলেন, “২০০৬ সালে বিবিসি বাংলার জরিপে আব্বুর লেখা তিনটি গান সর্বকালের সেরা ২০টি বাংলা গানের তালিকায় স্থান পেয়েছিল। ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’, ‘একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়’ এবং ‘একতারা তুই দেশের কথা বলরে আমায় বল’—এই গানগুলো শুধু গান নয়, আমাদের জাতীয় চেতনার অংশ।”

তিনি আরও বলেন, “আব্বুর লেখা ‘একবার যেতে দে না’ এবং ‘একতারা তুই দেশের কথা বল’ আমি বিভিন্ন জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে নিয়মিত গেয়েছি। আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, এই দেশাত্মবোধক গানগুলোও ততদিন মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। এবার আব্বুর লেখা আরেকটি দেশের গান আমার কণ্ঠে প্রকাশ পাচ্ছে। গানটি নিয়ে আমি খুবই আশাবাদী।”

দিঠির ভাষ্য, গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ, সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফুটে উঠেছে। নতুন এই গানটিও সেই ধারারই একটি সংযোজন হবে বলে তার প্রত্যাশা।

এদিকে দেশে ফিরেই পারিবারিক কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন দিঠি আনোয়ার। পাশাপাশি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এটিএন বাংলা, এনটিভি ও গ্লোবাল টিভির সরাসরি সংগীতানুষ্ঠানে অংশ নিয়ে গান পরিবেশন করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।