প্রবাসে পাঠানোর নামে ২৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ, এজেন্সির মালিকের ৫ বছরের কারাদণ্ড

Sep 23, 2026 - 10:37
 0  5
প্রবাসে পাঠানোর নামে ২৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ, এজেন্সির মালিকের ৫ বছরের কারাদণ্ড

বিদেশে পাঠানোর কথা বলে ২৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের মামলায় রিক্রুটিং এজেন্সি সাইদ রোমানিয়া ওভারসিজ লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী উজ্জ্বল আলমগীর হোসেন ওরফে সাঈদ আহমেদকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় তার স্ত্রী আশাফিয়া বেগম ও ভাই শরীফ আহমেদকে দুই বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন এ রায় দেন। রায় ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সায়েম উদ্দিন। 

তিনি বলেন, উজ্জ্বল আলমগীরকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

তার স্ত্রী আশাফিয়া বেগম ও ভাই শরীফ আহমেদকে দুই বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরো এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার আগে কারাগার থেকে উজ্জ্বল আলমগীরকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর তাকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানো হয়।

অপর দুই আসামি জামিনে গিয়ে পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মামলার নথি ও রায়ে বলা হয়েছে, আসামিরা পল্টন চায়না টাউনে অবস্থিত সাইদ রোমানিয়া ওভারসিজ লিমিটেডের মাধ্যমে বিদেশে লোক পাঠানোর কথা বলে বাদী ও সাক্ষীদের সঙ্গে চুক্তিপত্র করেন। এভাবে তাদের কাছ থেকে মোট ২৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেন। পরে তাদের বিদেশে না পাঠিয়ে ওই টাকা আত্মসাৎ করেন আসামিরা।

মামলার তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন আদালত। এর ভিত্তিতে আদালত তাদের দণ্ড দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, উজ্জ্বল আলমগীরের বিরুদ্ধে ঢাকার বিভিন্ন আদালতে আরও ৪০ থেকে ৫০টি মামলা চলমান রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বাংলাদেশ ভিশন: বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকার, উন্নয়ন, নীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় রূপান্তর সম্পর্কে বাংলা ভাষার সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, শাসনব্যবস্থা, জননীতি, জাতীয় উন্নয়ন, মেগা প্রকল্প এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুসমূহকে তথ্য-যাচাই, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা শুধু "কি ঘটেছে" নয়, বরং "কেন ঘটেছে", "এর প্রভাব কী" এবং "এর ভবিষ্যৎ তাৎপর্য কী"—তা বুঝতে পারেন।