নেইমারের ‘১০ নম্বর’ জার্সির অবসান ঘটিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন এক যুগ

Sep 25, 2026 - 14:18
 0  2
নেইমারের ‘১০ নম্বর’ জার্সির অবসান ঘটিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন এক যুগ
ছবি: সংগৃহীত

নেইমার দায়িত্ব ছাড়ার পর ১০ নাম্বার জার্সির নতুন মালিক কে হবে তা নিয়ে চলছিল নানান আলোচনা অবশেষে সেলেসাওদের এই ঐতিহাসিক জার্সির নতুন উত্তরাধিকারী হয়েছেন বার্সেলোনার ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার রাফিনিয়া। নতুন বিশ্বকাপ চক্রের প্রথম আন্তর্জাতিক সূচিতেই তার কাঁধে উঠছে এই গুরুদায়িত্ব। অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে আসন্ন প্রীতি ম্যাচের জন্য ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) স্কোয়াডের জার্সি নম্বর প্রকাশ করার পর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে সামনে আসে।

রাফিনিয়ার নামের পাশে রাখা হয়েছে ১০ নম্বর জার্সি। খবরটি প্রথম প্রকাশ করেছে ইএসপিএন। ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি পরেছিলেন নেইমার। এর আগে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও এই জার্সি ছিল তার গায়ে। নতুন চক্রে সেই জার্সিই এখন উঠছে রাফিনিয়ার গায়ে।

তবে ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সির সঙ্গে রাফিনিয়ার পরিচয় নতুন নয়। নেইমারের অনুপস্থিতিতে ২০২৪ সালে ভেনেজুয়েলা ও উরুগুয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে এই জার্সি পরেছিলেন তিনি। যদিও জাতীয় দলের হয়ে বেশিরভাগ সময় ১১ নম্বর জার্সিতেই খেলেছেন বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড।

রাফিনিয়া ১০ নম্বর পাওয়ায় তার পুরোনো ১১ নম্বর জার্সি পেয়েছেন এস্তেভাও। অন্যদিকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র আগের মতোই ৭ নম্বর জার্সি পরবেন। ৯ নম্বর জার্সি দেওয়া হয়েছে এনদ্রিককে।

নেইমারের উত্তরসূরি হিসেবে ১০ নম্বর জার্সি পাওয়ায় রাফিনিয়ার সামনে এখন বড় দায়িত্ব। আইকনিক এই জার্সি পরে ব্রাজিলের নতুন যুগে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করার চ্যালেঞ্জ থাকছে তার সামনে।

বাংলাদেশ সময় আজ বিকেল ৪টায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে নতুন চক্র শুরু করবে ব্রাজিল। দুই দলের দ্বিতীয় ম্যাচটি হবে ২৯ সেপ্টেম্বর। এরপর ৩ অক্টোবর কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে কার্লো আনচেলত্তির দল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।