নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই: রাশেদ খাঁন

Oct 5, 2026 - 10:08
Oct 5, 2026 - 10:08
 0  4
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই: রাশেদ খাঁন

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলার ঘটনায় বিএনপি বা অঙ্গসংগঠনের কেউ কোনো ঝামেলায় যায়নি। এই ঘটনার সঙ্গে কুষ্টিয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

রবিবার (৪ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এমনটা দাবি করেন তিনি।

পোস্টে তিনি লেখেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গতকাল থেকে কুষ্টিয়ায় ছিলো। কুষ্টিয়ার বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরিও করেছে। বিএনপি বা অঙ্গসংগঠনের কেউ তার সঙ্গে কোনো ঝামেলায় যায়নি। আজকে রাতে সে লালন শাহের মাজারে গেছে। তার সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীরাও ছিলো। সেখানে গিয়ে মাজারে অবস্থানরত পাগলদের সঙ্গে বেশ সময় কাটিয়েছে। চলে আসার সময় কতিপয় ব্যক্তির সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। সেখান থেকে একটি গাড়ি ভাঙচুরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার সঙ্গে কুষ্টিয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।


তিনি আরও লিখেন, এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। এই বিষয়টি কারও নখদর্পণে ছিলো না। এমনকি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যে, লালন শাহের মাজারে গেছে, এটাও প্রশাসনের কাউকে অবহিত করেননি। 

একজন নেতা প্রশাসনকে অবহিত না করে যত্রতত্র চলাফেরা করতে পারেন? যাইহোক, ঘটনা জানতে পেরে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত হয়। কিন্তু নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পুলিশি নিরাপত্তায় ক্ষানিকটা এসে, গাড়ি পরিবর্তন করে দ্রুতবেগে স্থান ত্যাগ করে। ঝিনাইদহের ঘটনায় যেখানে তিনি সঙ্গে সঙ্গে থানায় চলে গেলেন, কিন্তু কুষ্টিয়ায় ঘটনায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কেন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দ্রুতবেগে গেলেন? বিষয়টি নিয়ে এক ধরনের সন্দেহ থেকে যায়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বাংলাদেশ ভিশন: বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকার, উন্নয়ন, নীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় রূপান্তর সম্পর্কে বাংলা ভাষার সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, শাসনব্যবস্থা, জননীতি, জাতীয় উন্নয়ন, মেগা প্রকল্প এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুসমূহকে তথ্য-যাচাই, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা শুধু "কি ঘটেছে" নয়, বরং "কেন ঘটেছে", "এর প্রভাব কী" এবং "এর ভবিষ্যৎ তাৎপর্য কী"—তা বুঝতে পারেন।