দুই নারীর ঝগড়ায় প্রাণ গেল বাস হেল্পারের

Sep 9, 2026 - 18:11
 0  9
দুই নারীর ঝগড়ায় প্রাণ গেল বাস হেল্পারের

রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে দুই নারীর ঝগড়া কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে মারামারিতে ফকির আলমগীর (৪৬) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি পেশায় বাসের হেল্পার ছিলেন।তাদের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার আলীগঞ্জে।বর্তমানে তারা সায়েদাবাদের করাতিটোলা এলাকায় থাকেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টার দিকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে বাস মালিক সমিতির কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, শুক্কুর আলী নামে এক যুবকের ঘুষির আঘাতে আলমগীর রাস্তায় পড়ে যান। পরে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

নিহতের ছেলে রবিউল আওয়াল জানান, তার বাবা বাসের হেল্পার হিসেবে কাজ করতেন। পাশাপাশি দিনের বেলায় ভ্যানে করে শরবত বিক্রি করতেন। তার মা টুনি আক্তার বাস মালিক সমিতির কার্যালয়ের সামনে খিচুড়ি বিক্রি করেন।

রবিউল জানান, মঙ্গলবার সকালে সমিতির কার্যালয়ের সামনে এক নারী ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। এ সময় ওই নারীর সঙ্গে তার মা টুনি আক্তারের তর্কাতর্কি শুরু হয়। পাশে আলমগীর ও রবিউলও ছিলেন। এক পর্যায়ে ওই নারীর ছেলে শুক্কুর আলী সেখানে এসে তার বাবার সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় তার বাবার বুকে এলোপাতাড়ি ঘুষি মারেন শুক্কুর। এতে তার বাবা ফকির আলমগীর রাস্তায় পড়ে যান। তখন রাস্তার ওপর থাকা ভাঙা ইটের একটি অংশ তার মাথায় ঢুকে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অন্তু দে প্রেম জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে খিচুড়ি বিক্রেতা ও পান বিক্রেতার মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় রাস্তায় পড়ে ওই ব্যক্তি মারা যান বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনাটি বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গের রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বাংলাদেশ ভিশন: বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকার, উন্নয়ন, নীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় রূপান্তর সম্পর্কে বাংলা ভাষার সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, শাসনব্যবস্থা, জননীতি, জাতীয় উন্নয়ন, মেগা প্রকল্প এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুসমূহকে তথ্য-যাচাই, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা শুধু "কি ঘটেছে" নয়, বরং "কেন ঘটেছে", "এর প্রভাব কী" এবং "এর ভবিষ্যৎ তাৎপর্য কী"—তা বুঝতে পারেন।