জুবিনের প্রয়াণ দিবসে প্রকাশিত ‘ফেলে আসা’ গানটি

Sep 19, 2026 - 20:43
 0  4
জুবিনের প্রয়াণ দিবসে প্রকাশিত ‘ফেলে আসা’ গানটি

পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন জনপ্রিয় শিল্পী জুবিন গার্গ। জুবিনের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে ‘ফেলে আসা’ শিরোনামের গানটি প্রকাশিত হয়েছে। জুবিন গার্গের মৃত্যু এখনো মেনে নিতে পারছে না তার কোটি ভক্ত।

ভারতের জনপ্রিয় এই শিল্পী বাংলাদেশেও গান করেছেন। তেমনই একটি গান এতদিন ছিল অপ্রকাশিত। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জুবিনের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে ‘ফেলে আসা’ শিরোনামের গানটি প্রকাশিত হয়েছে।

এতে জুবিনের সঙ্গে দ্বৈত গেয়েছেন রত্না সাহা। তার ইউটিউব চ্যানেলেই উন্মুক্ত করা হয়েছে গানটি। এর কথা লিখেছেন কলকাতার জনপ্রিয় গীতিকার প্রিয় চট্টোপাধ্যায়। সুর করেছেন আসামের সংগীত পরিচালক রিজওয়ান ইয়াসিন এবং সংগীতায়োজনে শুভায়ু ভট্টাচার্য। গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন পাভেল মাহমুদ জয়। চিত্রগ্রহণে ছিলেন ইয়াসিন বিন আরিয়ান। এতে অভিনয় করেছেন তারেক জামান তানজ ও ফাইজা ইসলাম। শিশুশিল্পী হিসেবে রয়েছে রুদ্রনীল দত্ত, তূর্যনিনাদ দত্ত ও শ্রেষ্ঠা তুলসিয়ান।

প্রিয় চট্টোপাধ্যায়ের মাধ্যমে জুবিন গার্গের সঙ্গে গানটি গাওয়ার সুযোগ পান রত্না সাহা। জুবিনের গান শুনে বেড়ে ওঠা রত্নার কাছে তার সঙ্গে গান গাওয়ার সুযোগ ছিল দীর্ঘদিনের এক স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন একসময় পূরণও হয়। তবে গানটি প্রকাশের আগেই পৃথিবী ছেড়ে যান নন্দিত এই শিল্পী।

গানটি নিয়ে রত্না সাহা বলেন, ‘আমি অনেক সৌভাগ্যবান যে এত বড় একজন শিল্পীর সঙ্গে গান গাইতে পেরেছি। আমি জুবিন গার্গ দাদার গান শুনে বড় হয়েছি। স্বপ্ন ছিল তার সঙ্গে একটি গান গাইবো। সেটা করতে পেরে অনেক খুশি। তবে তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো এই সময় তার অনুভূতি জানতে পারতাম। সেটা আমার জন্য একটা বড় আক্ষেপ। তারপরও তিনি আমার জন্য যে উপহার রেখে গেছেন, এটাই আমার সংগীতজীবনের অনেক বড় পাওয়া।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।