চার দশক ধরে বাংলা রকসংগীতে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রেখেছেন জেমস

Oct 2, 2026 - 12:38
 0  3
চার দশক ধরে বাংলা রকসংগীতে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রেখেছেন জেমস
সংগীতের মাধ্যমে মানুষকে আনন্দ দেওয়াই যার দীর্ঘ পথচলার অঙ্গীকার, সেই সংগীতজগতের ‘গুরু’ ও নগরবাউলখ্যাত মাহফুজ আনাম জেমসের আজ জন্মদিন । সময়ের স্রোতে বদলেছে সংগীতের ভাষা, এসেছে নতুন প্রজন্ম। তবু গিটার হাতে সেই চিরচেনা ‘গুরু’ আজও গানের মধ্যেই খুঁজে ফেরেন জীবনের আনন্দ।  
 
১৯৬৪ সালের এই দিনে নওগাঁয় জন্ম জেমসের। বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামে। সংগীতের প্রতি ভালোবাসা থেকেই পরিবারের সঙ্গে মতবিরোধের একপর্যায়ে ঘর ছাড়েন তিনি। চট্টগ্রামের আজিজ বোর্ডিংয়ে থেকে শুরু হয় তার সংগীতচর্চার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
 
১৯৮০ সালে ‘ফিলিংস’ ব্যান্ড গঠনের মধ্য দিয়ে পেশাদার সংগীতযাত্রা শুরু করেন জেমস। ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয় ব্যান্ডটির প্রথম অ্যালবাম ‘স্টেশন রোড’। এরপর ‘জেল থেকে বলছি’, ‘নগর বাউল’, ‘লেইস ফিতা লেইস’সহ একাধিক অ্যালবাম তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে ‘ফিলিংস’-এর নাম বদলে রাখা হয় ‘নগর বাউল’।
জেমস যে কারণে ভক্তদের 'গুরু' | The Daily Star
 
একক শিল্পী হিসেবেও জেমসের রয়েছে দীর্ঘ সফল ক্যারিয়ার। ‘পালাবি কোথায়’, ‘দুঃখিনী দুঃখ করো না’, ‘ঠিক আছে বন্ধু’, ‘আমি তোমাদেরই লোক’, ‘জনতা এক্সপ্রেস’, ‘তুফান’ ও ‘কাল যমুনা’র মতো অ্যালবাম উপহার দিয়েছেন তিনি। ‘মা’, ‘বাংলাদেশ’, ‘পাগলা হাওয়া’সহ তার বহু গান আজও শ্রোতাপ্রিয়।
 
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বলিউডেও জনপ্রিয়তা পান জেমস। ২০০৬ সালে ‘গ্যাংস্টার’ সিনেমার ‘ভিগি ভিগি’ গান দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয় তার। দেশের চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের জন্য ‘দেশা: দ্য লিডার’ ও ‘সত্তা’ সিনেমায় সেরা পুরুষ প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।
 
চার দশকের বেশি সময় ধরে বাংলা রকসংগীতে স্বতন্ত্র অবস্থান ধরে রেখেছেন জেমস। ভক্তদের কাছে তাই তিনি শুধু শিল্পী নন, ‘গুরু’।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।