গ্রাম ছেড়ে লোডশেডিং এখন ঢাকায়।

Aug 14, 2026 - 09:50
 0  9
গ্রাম ছেড়ে লোডশেডিং এখন ঢাকায়।

এতদিন গ্রাম-মফস্বলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং হলেও, এবার সেই ভোগান্তি হানা দিয়েছে রাজধানী ঢাকায়। তীব্র গরমের মধ্যে ঢাকায়ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবনে দুর্ভোগ বেড়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) দিবাগত রাতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ কয়েকবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছে।

কোথাও একটানা এক ঘণ্টা, আবার কোনো কোনো এলাকায় একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এতে তীব্র গরমের মধ্যে চরম ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুক্তভোগীদের স্ট্যাটাসে ফুটে উঠেছে এই যন্ত্রণার চিত্র।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাবরিনা আফরিন নামে এক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, গ্রাম ছেড়ে লোডশেডিং এখন ঢাকায়।

আশিক খান নামের একজন লিখেছেন, রাত ৩টা বাজে, সারাদিনের ক্লান্ত শরীরগুলো ঘুমাচ্ছে, বিদ্যুৎ বন্ধ করে দিসে। গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠে পাঙ্খা দিয়া বাতাস করতাছি আর ভাবতাছি এ কোন পাপের ফল? এ কোন সোনার বাংলায় জন্ম নিলাম যেখানে নাগরিক ঘুমাইয়াও শান্তি পায় না।

সিফাত আরিয়ান লিখেছেন, সকালে বেরিয়ে সারাদিন দৌড়ঝাঁপ দিয়ে রাত সোয়া ১১ টায় আমি যখন বাসায় আসলাম, তিনি (বিদ্যুৎ) তখন চলে গেলেন।

এদিকে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য বলছে, ১২ আগস্ট রাত ৯টায় (সন্ধ্যা পিক) বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৬ হাজার ৯৩ মেগাওয়াট। আর দুপুর ১২টায় (ডে পিক) বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ৬৩৫ মেগাওয়াট।

তবে ডে পিকে আদানি থেকে ৯৩১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এলেও সন্ধ্যা পিকে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৩০ মেগাওয়াটে। সামগ্রিকভাবে সারাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৮ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। সেই হিসাবে রাতেও ২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ লোডশেডিং দিতে হয়েছে।

তবে ঢাকার DESCO ও DPDC এলাকায় জাতীয় ঘাটতির প্রভাব তুলনামূলক কম হলেও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বুধবার থেকে দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া যাচ্ছে।



What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বাংলাদেশ ভিশন: বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকার, উন্নয়ন, নীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় রূপান্তর সম্পর্কে বাংলা ভাষার সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, শাসনব্যবস্থা, জননীতি, জাতীয় উন্নয়ন, মেগা প্রকল্প এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুসমূহকে তথ্য-যাচাই, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা শুধু "কি ঘটেছে" নয়, বরং "কেন ঘটেছে", "এর প্রভাব কী" এবং "এর ভবিষ্যৎ তাৎপর্য কী"—তা বুঝতে পারেন।