গরমে কেন বাড়ে কোষ্ঠকাঠিন্য

Aug 16, 2026 - 18:56
 0  12
গরমে কেন বাড়ে কোষ্ঠকাঠিন্য

গরমে ঘাম ঝরার সঙ্গে সঙ্গে শরীর থেকে কমে যায় প্রয়োজনীয় পানি। এর প্রভাব পড়ে হজমের ওপরও। ফলে তীব্র গরমে অনেকেরই বেড়ে যায় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা। পানি কম পান করা, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন ও অনিয়মিত জীবনযাপন এর অন্যতম কারণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খেলে এবং পরিমাণমতো পানি পান করলে সুস্থ থাকা যায়। 

গরমে কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়ার কারণ

পর্যাপ্ত পানি পান না করা: সারাদিনে কী পরিমান পানি পান করছেন তার উপর নির্ভর করে হজম শক্তি। যেহেতু গরমে প্রচুর পরিমানে ঘাম হয়, ফলে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় পানি বের হয়ে যায়। আর শরীরে পানির এই ঘাটতি থেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

আঁশ জাতীয় খাবার না খাওয়া: গরমকালে অনেকের খাদ্যতালিকাতেই আঁশসমৃদ্ধ খাবার থাকে না বা কম পরিমানে থাকে। শরীরের অতি প্রয়োজনীয় উপাদান হলো ফাইবার। আঁশসমৃদ্ধ খাবার কম খেলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে কী করবেন

  • গ্রীষ্মকালে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে অবশ্যই প্রতিদিন গড়ে ৩-৪ লিটার পানি পান করতে হবে।   

  • প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।

  • খাদ্যতালিকায় অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমানে ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। প্রতিদিন প্রায় ৩৮ গ্রাম ফাইবার খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে। 

  • টক দই খাওয়া যেতে পারে। 

  • ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাইপো থাইরয়েডের রোগীদের মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেশি দেখা যায়। এক্ষেত্রে চিকৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। 

গরমে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূরে থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান, ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া ও নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলুন। সচেতন জীবনযাপনেই মিলতে পারে এই অস্বস্তিকর সমস্যা থেকে স্বস্তি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

লাইফ স্টাইল Vision: বাংলা ভাষায় স্বাস্থ্যকর জীবন, মানসিক সুস্থতা, পরিবার, কর্মজীবন, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং জীবনমান সম্পর্কিত সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, গবেষণানির্ভর ও প্রভাবশালী Human Development Platform হওয়া; যা ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজের জীবনমান উন্নয়নের একটি প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ভ্রমণ, পরিবার, ক্যারিয়ার, ফ্যাশন, খাদ্য, মানসিক সুস্থতা এবং জীবনদক্ষতা সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক তথ্য, বিশেষজ্ঞ মতামত, গবেষণা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে এমন কনটেন্ট তৈরি করা, যা মানুষকে আরও সচেতন, সুস্থ, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল জীবনযাপনে অনুপ্রাণিত করে।