কোন রোগে আক্রান্ত অভিনেত্রী কার্দাশিয়ান!

Sep 18, 2026 - 18:25
 0  1
কোন রোগে আক্রান্ত অভিনেত্রী কার্দাশিয়ান!

সম্প্রতি শরীরে ‘ইসোফ্যাজাইটিস’ নামের এক জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন হলিউড তারকা ও ইনফ্লুয়েন্সার কিম কার্দাশিয়ান। তিনি চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও এখনো এক অজানা আতঙ্কে দিন কাটছে। সম্প্রতি নিজের অসুস্থতার বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন কিম।

তিনি জানান, পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ধরা পড়েছে ‘ইসোফ্যাজাইটিস’ নামের এক জটিল রোগ। মূলত খাদ্যনালীর প্রদাহজনিত সমস্যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘ইসোফ্যাজাইটিস’ বলা হয়। এতে গলা থেকে পাকস্থলীতে খাবার পৌঁছানোর যে নালীটি রয়েছে, সেটির ভেতরের অংশে তীব্র প্রদাহের সৃষ্টি হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো তথ্য ও 'দ্য কার্দাশিয়ানস' রিয়েলিটি শোয়ের নতুন ট্রেলারে হাসপাতালের পোশাকে বিছানায় শুয়ে থাকতে দেখা গেছে কিমকে। সেখানেই তিনি নিজের এই রোগের কথা তুলে ধরেন। ট্রেলারে দেখা যায়, এক প্রযোজক যখন প্রশ্ন তোলেন যে রোগে কিমের বাবার মৃত্যু হয়েছিল, কিমও কি সেই একই ব্যাধিতে আক্রান্ত? প্রশ্নটি শোনামাত্রই কান্নায় ভেঙে পড়েন তার মা ক্রিস জেনার।

অভিনেত্রীর এমন মানসিক উদ্বেগের নেপথ্যে রয়েছে পারিবারিক এক ট্র্যাজেডি। ২০০৩ সালে মাত্র ৫৯ বছর বয়সে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান কিমের বাবা, প্রখ্যাত আইনজীবী রবার্ট কার্দাশিয়ান সিনিয়র। তিনি মারা গিয়েছিলেন ‘ইসোফেজিয়াল ক্যান্সার’ বা খাদ্যনালীর ক্যান্সারে, যা ধরা পড়েছিল তাঁর মৃত্যুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে। বাবার সেই করুণ স্মৃতি মনে করেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কিম।

তবে চিকিৎসকরা ভক্তদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, ‘ইসোফ্যাজাইটিস’ এবং ‘ইসোফেজিয়াল ক্যান্সার’ পুরোপুরি আলাদা দুটি বিষয়। সাধারণ প্রদাহ বা ইসোফ্যাজাইটিস হলেই তা ক্যান্সারে রূপ নেয় না বা এটি সরাসরি ক্যান্সারের লক্ষণ নয়। বর্তমানে কিম কার্দাশিয়ান আগের চেয়ে সুস্থ রয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।