কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক আরও ৩৬৩

Oct 3, 2026 - 13:35
Oct 3, 2026 - 13:35
 0  1
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক আরও ৩৬৩

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানের পঞ্চম ধাপে ৩৬৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। জেলার ১৮টি থানার পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান চালানো হয়। পাঁচ দফায় মোট ২০৩৫।

শনিবার (৩ অক্টোবর)  কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট ও যেসব এলাকায় উঠতি বয়সের কিশোরদের গ্যাং সংশ্লিষ্টতা ও আড্ডাবাজি বেশি, সেগুলোকে চিহ্নিত করে একযোগে এই অভিযান চালানো হয়েছিল বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ ।


শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানা এলাকায় একযোগে এই বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়।জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট থানা ও ডিবি পুলিশের একাধিক ইউনিট এই অভিযানে অংশ নেয়।


পুলিশ সূত্র জানায়, নতুন করে আটক ৩৬৩ জনের অতীত রেকর্ড, অপরাধের ধরন ও সুনির্দিষ্ট সম্পৃক্ততা নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে অভিযানের সময় সাধারণ কিংবা নিরপরাধ কোনো কিশোর যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়টি জেলা পুলিশের শীর্ষ পর্যায় থেকে কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চার দফায় মোট ১ হাজার ৬৭২ জনকে আটক করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে তথ্য যাচাই শেষে গুরুতর কোনো অপরাধে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় ৯৩০ জনের কাছ থেকে ভবিষ্যতে এমন কর্মকাণ্ডে না জড়ানোর মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি ৭৪২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরপূর্বক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


অভিযানের বিষয়ে জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলের প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, উঠতি বয়সী কিশোরেরা যেন অপরাধমূলক কার্যকলাপ, ক্ষতিকর গ্যাং কালচার কিংবা মাদকের করাল গ্রাসে জড়িয়ে না পড়ে, সেই উদ্দেশ্যেই জেলা পুলিশের এই নিয়মিত পদক্ষেপ। কিশোর অপরাধ নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং জনস্বার্থে এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

সারাদেশ ভিশন: বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও বাস্তবতার সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, তথ্যভিত্তিক এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা দেশের তৃণমূল বাস্তবতা বোঝার প্রধান রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বাংলাদেশের স্থানীয় জনজীবন, স্থানীয় সরকার, আঞ্চলিক উন্নয়ন, জনসেবা, নাগরিক সমস্যা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব ঘটনাবলিকে নির্ভুল, দ্রুত, প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ ও সমাধানমুখী সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের কণ্ঠস্বর জাতীয় সিদ্ধান্ত ও জনআলোচনায় যথাযথ গুরুত্ব পায়।