কিংবদন্তির মুখে প্রশংসার ছলে এমন ‘বর্ণবিদ্বেষী’ মন্তব্য করেন অমিতাভ বচ্চন

Jul 8, 2026 - 16:55
Sep 4, 2026 - 02:28
 0  12
কিংবদন্তির মুখে প্রশংসার ছলে এমন ‘বর্ণবিদ্বেষী’ মন্তব্য করেন  অমিতাভ বচ্চন

বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন এক পোস্টে রীতিমতো তোলপাড় ফেলে দিয়েছে নেটিজেনদের মধ্যে। ফ্রান্স ফুটবল দলের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করতে গিয়ে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের বেড়াজালে জড়িয়ে পড়েছেন বিগবি। এ নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। দুঃখজনক হলেও সত্যি— বিগবি প্রশংসার বদলে ভাষা হিসেবে যা বেছে নিয়েছেন, তাতেই চটেছেন ফুটবলপ্রেমীরা। সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে অমিতাভ বচ্চন লিখেছেন— এবার বলেই দি। এই ফরাসি দলটায় ১১ ফুটবলার আছেন। এর মধ্যে ১০ জন কালো আর একজন সাদা। এটাই হলো কালো মানুষের শক্তি।

বিশ্বকাপে ফ্রান্স দলে যেমন কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে কিংবা মাইকেল ওলিসের মতো কৃষ্ণাঙ্গ ফুটবলাররা মাঠ কাঁপাচ্ছেন, ঠিক তেমনি লুকাস ডিনে বা অদ্রিয়ান র্যাবিওর মতো শ্বেতাঙ্গ তারকারাও অবদান রাখছেন। দলের ভেতরে যখন কোনো বিভেদ নেই, তখন অমিতাভের মতো একজন কিংবদন্তির মুখে প্রশংসার ছলে এমন ‘বর্ণবিদ্বেষী’ মন্তব্য বিশ্বজুড়ে কোটি ফুটবলভক্তের মনে আঘাত হেনেছে।

এর মধ্যেই কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্স প্যারাগুয়েকে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। ম্যাচে একমাত্র জয়সূচক গোলটি আসে অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের পা থেকে। ফরাসিদের এমন দুর্দান্ত দাপট দেখে আর নিজেকে সামলাতে পারেননি শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন।

তার এই ‘সাদা-কালো’ বৈষম্যমূলক মন্তব্য পোস্ট হওয়ার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে। নেটিজেনদের একাংশ বলেছেন— খেলোয়াড়দের গায়ের রঙ বা জাতিগত পরিচয় দিয়ে বিচার না করে তাদের জাতীয়তা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা উচিত ছিল। আবার অনেকেই এ মন্তব্যকে চরম ‘অসংবেদনশীল’ এবং ‘অপ্রয়োজনীয়’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।