উপনির্বাচনে ঋণখেলাপিদের তথ্য চেয়েছে নির্বাচন কমিশন

Oct 13, 2026 - 16:48
 0  1
উপনির্বাচনে ঋণখেলাপিদের তথ্য চেয়েছে নির্বাচন কমিশন

বিএনপি নেত্রী ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ছেড়ে দেওয়া নারী আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে ঋণখেলাপিদের তথ্য চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।কোনো ঋণখেলাপি ব্যক্তি যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ইসি সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালক মো. আবদুল মমিন সরকার এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী ১২ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত ৩২৩ নম্বর মহিলা আসন-২৩-এর সংরক্ষিত আসনের এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক সব প্রার্থীর ঋণখেলাপি-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং যথাযথভাবে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, জাতীয় সংসদের সাধারণ আসনগুলোর নির্বাচনের মতোই সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রেও যাতে কোনো ঋণখেলাপি প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সে বিষয়ে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। এ উদ্দেশ্যে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর সংশ্লিষ্ট বিধানাবলি এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর জারি করা দিকনির্দেশনা সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করার জন্য বলা হয়েছে।

ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৬ অক্টোবর বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপনির্বাচনে ইচ্ছুক প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করার সুযোগ পাবেন। এরপর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীদের নাম, পিতা-মাতা বা স্বামীর নামসহ প্রয়োজনীয় সব তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে আগামী ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার নির্ধারিত সময়সীমার পূর্বেই সকল প্রার্থীর ঋণখেলাপি-সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ন্যাশনাল ভিশন: বাংলাদেশের জাতীয় জনজীবন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি কার্যক্রম এবং নাগরিক বাস্তবতার সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, জবাবদিহিমূলক ও জনস্বার্থভিত্তিক সংবাদ ও জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক এবং গণমাধ্যমের জন্য জাতীয় ঘটনাপ্রবাহের প্রধান রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: রাজধানী, মন্ত্রণালয়, সংসদ, আদালত, নির্বাচন, জনসেবা এবং নাগরিক জীবনের প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি দ্রুত, নির্ভুল, প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ এবং ভারসাম্যপূর্ণভাবে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা রাষ্ট্রের কার্যক্রম, সরকারি সিদ্ধান্ত এবং সেগুলোর বাস্তব প্রভাব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারেন।