দেশের ব্যান্ড সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী মাহফুজ আনাম জেমস্ বর্তমানে তার সফল ইউরোপ ট্যুরের শেষ প্রান্তে রয়েছেন। লন্ডন, পর্তুগাল, প্যারিস, সাইপ্রাস এবং ইতালির রোম ও ভেনিসে একের পর এক জমকালো কনসার্টে প্রবাসী দর্শকদের মাতানোর পর সফরের শেষ পর্ব সম্পন্ন করতে তিনি এখন সুইডেনে।
গতকাল সকালে ইতালির রাজধানী রোম এবং ঐতিহ্যবাহী ভেনিস শহরের সফল কনসার্ট শেষ করে রোমের আন্তর্জাতিক লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি ফিমিউসিনো বিমানবন্দর থেকে সুইডেনের উদ্দেশ্যে রওনা হন জেমস্ ও তার ব্যান্ডের সদস্যরা। বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানাতে ইতালি-বাংলা কমিউনিটির নেতৃবৃন্দসহ বহু প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত হন। এক দশক পর ইতালির রোমে জেমসের মঞ্চ পরিবেশনা ঘিরে স্থানীয় প্রবাসীদের মধ্যে ছিল অভূতপূর্ব উন্মাদনা।
কনসার্টের পূর্বে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেমস্ জানান, এক দশকেরও বেশি সময় পর রোমে গাইতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। গত ২৫শে জুলাই লন্ডনে কনসার্টের মাধ্যমে দুই মাসব্যাপী এই ইউরোপ সফরের সূচনা হয়। অন্যদিকে, ২৬শে জুলাই পর্তুগালের লিসবনে জেমসের প্রথম লাইভ কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়; যা স্থানীয় প্রবাসীদের জন্য ছিল এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। আজ অথবা আগামীকালের মধ্যে সুইডেনে একক লাইভ পরিবেশনার মাধ্যমে ইউরোপ সফরের ইতি টানবেন জেমস্। ইউরোপ সফর শেষেই নগরবাউল পাড়ি জমাবেন অস্ট্রেলিয়ায়।
সেখানে আগামী ১২ই সেপ্টেম্বর থেকে দু’টি একক কনসার্টে অংশ নেয়ার কথা রয়েছে তার। নগরবাউল জেমসের ম্যানেজার ও মুখপাত্র রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন জানান, বিশ্ব জুড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিপুল আগ্রহের কারণেই প্রতিটি শহরে কনসার্টের পরিধি ও সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা ভক্তদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে জেমস্ সব সময়ই লাইভ পারফরম্যান্সে নিজের সেরাটা উপহার দিয়ে থাকেন। সুইডেন ও অস্ট্রেলিয়ার আসন্ন কনসার্টগুলোতেও একই রকম উন্মাদনা থাকবে বলে আশা করছেন আয়োজক ও ভক্তরা।
বিনোদন
ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।