অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তাদের নৈতিকতার প্রশিক্ষণ
রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে কর্মরত আইন কর্মকর্তাদের জন্য প্রথমবারের মতো নৈতিকতা বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ ও ইউএনডিপির সহায়তায় ‘স্ট্রেনদেনিং দ্য প্রিন্সিপালস অ্যান্ড প্র্যাকটিসেস অব প্রসিকিউটোরিয়াল এথিক্স ফর দ্য অ্যাটর্নি জেনারেলস অফিস অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক দুদিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ঢাকায় শুরু হয়।
সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর হোটেল হলিডে ইন-এ (এফডিসি গেট সংলগ্ন) প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। বিষয়টি অ্যাটর্নি জেনারেল নিজেই নিশ্চিত করেছেন।
অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে বর্তমানে কর্মরত ১৬০ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য আইন কর্মকর্তাদের পেশাগত সততা, স্বাধীনতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের প্রতি অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় করা। পাশাপাশি বিচারপ্রক্রিয়ায় নৈতিকতা, পেশাগত দায়িত্ববোধ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়ে তাদের দক্ষতা ও সচেতনতা বাড়ানো হবে।
প্রশিক্ষণে দুর্নীতি, ঘুষ, দায়িত্বে অবহেলা, নথি গোপন এবং বিচার প্রক্রিয়ায় যে কোনো ধরনের অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার নীতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘দুর্নীতি, ঘুষ, দায়িত্বে অবহেলা কিংবা বিচার প্রক্রিয়ায় অনৈতিক হস্তক্ষেপের কোনো স্থান এই প্রতিষ্ঠানে থাকবে না। আমাদের অঙ্গীকার-সততা, স্বাধীনতা, মানবিক মর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।’
তিনি আরও বলেন, আইন কর্মকর্তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে নৈতিক মানদণ্ড আরও শক্তিশালী করা এবং বিচার প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা বাড়াতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
What's Your Reaction?