‘কী এক লুজার, মেসি নয় যেন মেসি’ বলে মন্তব্য করেন অভিনেত্রী গওহর খান

Jul 9, 2026 - 20:08
Sep 4, 2026 - 02:26
 0  8
‘কী এক লুজার, মেসি নয় যেন মেসি’ বলে মন্তব্য করেন অভিনেত্রী গওহর খান

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার নাটকীয় ও বিতর্কিত জয়ের পর সামাজিক মাধ্যমে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ভারতীয় মডেল ও অভিনেত্রী গওহর খান। আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে সরাসরি ‘লুজার’ এবং তাকে ‘বড়মাপের অভিনেতা’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। 
গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) আটলান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিসরকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। 

ম্যাচের এই রোমাঞ্চকর ও বিতর্কিত সমাপ্তির পর ইনস্টাগ্রামে অন্য এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের পোস্ট করা একটি ভিডিও শেয়ার করে গওহর খান আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের তীব্র সমালোচনা করেন। 
ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘কী এক লুজার, মেসি নয় যেন মেসি (যার অর্থ নোংরা বা বিশৃঙ্খল)। একেবারে নিকৃষ্টতম মানের অভিনেতা।’ 

‘ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে দুঃখজনক মুহূর্ত’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল। গওহর খানের শেয়ার করা মূল ভিডিওটিতে আর্জেন্টিনা ও মিসরের এই ম্যাচটিকে ম্যাচটিতে একপর্যায়ে ২ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে জয়ের সুবাস পাচ্ছিল মিসর। তবে ম্যাচের শেষ দিকে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে পরপর ৩ গোল করে জয় ছিনিয়ে নেয় আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের শেষ মুহূর্তের বেশ কিছু অনফিল্ড ঘটনা এবং রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবলবিশ্বে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়। বহু ফুটবল সমর্থক আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ‘অখেলোয়াড়সুলভ’ আচরণের অভিযোগ তোলেন এবং রেফারির পক্ষপাতিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

সকল বিতর্ক ও সমালোচনাকে পাশ কাটিয়ে আর্জেন্টিনা অবশ্য কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে, যেখানে তারা সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। তবে মাঠের সেই বিতর্ক এবার গওহর খানের মন্তব্যের জেরে সামাজিক মাধ্যমে নতুন মাত্রা পেল, যা নিয়ে ফুটবলভক্তরা এখন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে তুমুল তর্কে মেতেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।