১৫ কোটির পারিশ্রমিক ফিরিয়ে দিলেন কার্তিক আরিয়ান

Jan 17, 2026 - 20:36
Sep 4, 2026 - 02:47
 0  18
১৫ কোটির পারিশ্রমিক ফিরিয়ে দিলেন কার্তিক আরিয়ান

বিনোদন ডেস্ক 

বলিউড অভিনেতা কার্তিক আরিয়ানের নতুন সিনেমা ‘তু মেরি ম্যায় তেরা’ মুক্তির পর বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছে। এমন ভরাডুবির পর নিজের পুরো পারিশ্রমিক প্রযোজককে ফিরিয়ে দিয়েছেন এই অভিনেতা। বড় অংকের আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে প্রযোজনা সংস্থাকে বাঁচাতে কার্তিক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। 

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, করণ জোহরের ধর্ম প্রোডাকশন প্রযোজিত এই সিনেমাটির বাজেট ছিল প্রায় ৯০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২৫ কোটি টাকা)। তবে মুক্তির পর বক্স অফিসে এটি মাত্র ৪০ কোটি রুপির মতো আয় করতে সক্ষম হয়। সিনেমাটি বক্স অফিসে ব্যর্থ হওয়ায় প্রযোজনা সংস্থা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে কার্তিক ছবিটির জন্য নেওয়া তার ১৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

আবার আলোচনায় এসেছে করণ জোহরের সঙ্গে কার্তিকের সম্পর্ক। এক সময় দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য তৈরি হয়েছিল। কার্তিকের পারিশ্রমিক বৃদ্ধি নিয়ে প্রকাশ্যে কটাক্ষ করেছিলেন করণ। সেই সময় কিছু ছবি থেকেও বাদ পড়েন অভিনেতা। যদিও পরে দুপক্ষের মধ্যেই সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়।

কার্তিকের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, প্রযোজকের মন রাখতেই নয়, নিজের ইচ্ছাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অভিনেতা। এর আগেও তার ‘শাহজাদা’ সিনেমার বক্স অফিসে ব্যর্থ হলে একইভাবে পারিশ্রমিক ফেরত দিয়েছিলেন তিনি।

সব মিলিয়ে, বছরের শুরুটা কার্তিক আরিয়ানের জন্য খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। বিতর্ক, ছবির ব্যর্থতা আর আর্থিক ধাক্কার মাঝেই এখন তার পরের ছবির দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন তার ভক্তরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।