শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু হচ্ছে ১৬ ডিসেম্বর: বিমানমন্ত্রী

Sep 8, 2026 - 15:47
Sep 8, 2026 - 17:42
 0  9
শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু হচ্ছে ১৬ ডিসেম্বর: বিমানমন্ত্রী

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে ১৬ ডিসেম্বর বলে জানিয়েছেন বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। প্রথম দিনে ২০টি উড়োজাহাজ চলাচল করবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) টার্মিনালটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে এই টার্মিনালের ভবন উদ্বোধন করা হলেও এটি চালুর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তার ভাষায়, তখন টার্মিনালে ইন্টারনেট সংযোগ ছিল না, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়নি এবং কার্যক্রম পরিচালনার সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনাও ছিল না।

রাজস্ব ভাগাভাগির বিষয়ে রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, পূর্বে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী রাজস্বের ১৫ শতাংশ বাংলাদেশ এবং বাকি ৮৫ শতাংশ জাপানি কোম্পানির পাওয়ার কথা ছিল। ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে সেই অনুপাত পরিবর্তন করে বাংলাদেশের প্রাপ্য অংশ ২৭ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি, যা প্রকল্পের ঋণ পরিশোধে সহায়ক হবে বলে জানান মন্ত্রী।

জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) ঋণে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের কিস্তি ইতিমধ্যে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অন্যান্য খাতের আয় থেকে পরিশোধ শুরু হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে এবং চলতি ডিসেম্বরে আরও ৯০০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে। টার্মিনালটি চালু করা না গেলে এভাবে অন্যান্য খাতের আয় থেকেই ঋণ পরিশোধ অব্যাহত রাখতে হবে বলে জানান তিনি। এ প্রেক্ষাপটে ১৬ ডিসেম্বর আংশিকভাবে হলেও টার্মিনালটি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।


এর আগে গত ৩০ আগস্ট জাতীয় সংসদে রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছিলেন, তৃতীয় টার্মিনাল চালুর নামে বিগত সরকার শুধু একটি ভবন উদ্বোধন করেছিল, তবে এর অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি। টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে অতিরিক্ত ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলেও সে সময় জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করে। ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্পের অর্থায়নে সরকার ৫ হাজার কোটি টাকা দেয়, আর বাকি অর্থ জাপানি সংস্থা জাইকার ঋণ থেকে নেওয়া হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ন্যাশনাল ভিশন: বাংলাদেশের জাতীয় জনজীবন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি কার্যক্রম এবং নাগরিক বাস্তবতার সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, জবাবদিহিমূলক ও জনস্বার্থভিত্তিক সংবাদ ও জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক এবং গণমাধ্যমের জন্য জাতীয় ঘটনাপ্রবাহের প্রধান রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: রাজধানী, মন্ত্রণালয়, সংসদ, আদালত, নির্বাচন, জনসেবা এবং নাগরিক জীবনের প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি দ্রুত, নির্ভুল, প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ এবং ভারসাম্যপূর্ণভাবে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা রাষ্ট্রের কার্যক্রম, সরকারি সিদ্ধান্ত এবং সেগুলোর বাস্তব প্রভাব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারেন।