মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলির চূড়ান্ত আবেদন

Sep 10, 2026 - 23:03
Sep 10, 2026 - 23:04
 0  5
মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলির চূড়ান্ত আবেদন

বেসরকারি মাদ্রাসার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৮ হাজার ছাড়িয়েছে। তবে শিক্ষকদের বদলির চূড়ান্ত আদেশের বিষয়ে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। 


শিক্ষা অধিদপ্তরের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে। আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যে রিপোর্টটি তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হবে। এরপর রিপোর্টটি দেখে বদলি আদেশ জারি করবে মন্ত্রণালয়।’

জানা যায়, মাদ্রাসার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ায় প্রায় ৪২ হাজার শূন্য পদ প্রকাশ করা হয়। গত ৩০ আগস্ট থেকে বেসরকারি মাদ্রাসার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদন শুরু হয়ে চলে ৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত। 

এদিকে গত ৬ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বদলি প্রত্যাশী যেসব শিক্ষক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ম্যানুয়ালি (হার্ডকপি) বদলির আবেদন করেছেন তাদের প্রত্যেককে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের স্কলবারে প্রদর্শিত লিংকে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টার মধ্যে আবশ্যিকভাবে গুগল ফরম পূরণ করতে হবে। তবে ইতিমধ্যে যেসব শিক্ষক গুগল ফরম পূরণ করেছেন তাদের পুনরায় পূরণ করার প্রয়োজন নেই বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারভিত্তিক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা)-এর এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা, ২০২৬’-এর ৩.১৯ ধারা অনুযায়ী, সফটওয়্যারভিত্তিক বদলি ব্যবস্থা চালু না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীনভাবে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ফিচার Vision: বাংলা ভাষায় গভীর অনুসন্ধান, দীর্ঘ আকারের সাংবাদিকতা, মানবিক গল্প এবং বিশ্লেষণধর্মী বর্ণনামূলক প্রতিবেদনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও বিশ্বাসযোগ্য Narrative Journalism Platform হওয়া; যা সময়, সমাজ এবং মানুষের পরিবর্তনের একটি স্থায়ী জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: সমসাময়িক ঘটনা, ব্যক্তি, সমাজ, সংস্কৃতি, ধারণা এবং পরিবর্তনকে গভীর গবেষণা, অনুসন্ধান, সাক্ষাৎকার, তথ্য, ইতিহাস এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক কেবল ঘটনা জানতে না পারেন, বরং সেই ঘটনার মানবিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক তাৎপর্যও উপলব্ধি করতে পারেন।