বৃষ্টির দিনে ফোন ব্যবহার নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য!

Jul 20, 2026 - 18:56
Jul 20, 2026 - 18:57
 0  14
বৃষ্টির দিনে ফোন ব্যবহার নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য!

প্রকৃতিতে চলছে বৃষ্টির মৌসুম। বৃষ্টি হলে খোলা আকাশের নিচে ফোনে কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। বৃষ্টি চলাকালে পুকুর, খাল, নদী বা পানির কাছাকাছি স্থানে থাকার সময় জরুরি না হলে ফোন ব্যবহার না করাই শ্রেয়। কারণ, এ সময় বজ্রপাত হয়। ঘর্মাক্ত হলে ফোনে কথা বলা ঠিক নয়, বিশেষ করে ফোনের স্পিকার যদি ফ্রন্ট ফেসিং হয়। এতে শরীর থেকে নির্গত ঘাম ডিভাইসের ভেতরে প্রবেশ করে স্পিকারের ক্ষতি, এমনকি ফোনের সার্কিটে সমস্যা হতে পারে।

স্মার্টফোনের ঠিকঠাক যত্ন নেওয়ার প্রথম শর্ত হলো "পরিষ্কার"। ডিভাইসের বাইরের অংশ পরিষ্কারের জন্য শুকনো টিস্যু পেপার বা অ্যালকোহল ওয়াইপ্স ব্যবহার করতে হবে। পানি বা অন্য কোনো ক্লিনার ব্যবহার করা যাবে না। কারণ, এসব ব্যবহারে ডিভাইসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। 


অনেক ফোনে প্রতিদিনই বা এক দিন পরপরই চার্জ দেওয়ার প্রয়োজন হয়। যদি ফোনে অনেক বেশি কথা বলেন বা অন্য কোনো কাজ, যেমন– ভিডিও দেখেন বা গেম খেলা হয়, তাহলে ব্যাটারির চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যায়। অনেকে ফোনের ব্যাটারিকে দীর্ঘস্থায়ী করতে ৪০ থেকে ৮০ শতাংশের মধ্যে চার্জ ধারণ করেন। নতুন হ্যান্ডসেট অনেক ফাস্ট থাকে। 

কিন্তু কিছুদিন না যেতেই ক্রমে তা গতি হারায়। গ্যাজেট গবেষকরা এর পেছনে অনেক কারণ অনুসন্ধান করেছেন। নতুন অবস্থায় ফোনটি একেবারে হালকা থাকে। এতে কোনো বাড়তি অ্যাপ্লিকেশন থাকে না। কিন্তু ব্যবহার করতে গিয়ে নিত্যনতুন সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে ক্রমে ডিভাইসটি জটিল হতে থাকে। ফল হলো গতি হারানো। ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়। যতটা সম্ভব অযাচিত অ্যাপ এড়িয়ে যেতে হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

গবেষণা Vision: বাংলা ভাষায় গবেষণা, ডেটা জার্নালিজম, জননীতি বিশ্লেষণ এবং জনবুদ্ধিমত্তা (Public Intelligence)-এর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Media-Based Think Tank হওয়া; যা সরকার, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়, উন্নয়ন অংশীদার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিক সমাজের জন্য একটি শীর্ষস্থানীয় জ্ঞানভান্ডার ও নীতিগত রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: গবেষণা, ডেটা, জরিপ, নীতি বিশ্লেষণ, প্রমাণভিত্তিক সাংবাদিকতা এবং বহুমাত্রিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য জ্ঞান উৎপাদন করা; যাতে জটিল জাতীয় ও বৈশ্বিক বিষয়গুলোকে গভীরভাবে বোঝা যায় এবং তথ্যসমৃদ্ধ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করা যায়।