বিয়ে হয়নি ইবির সেই প্রেমিক যুগলের
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আটককৃত শিক্ষার্থী প্রেমিক-যুগলকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে আলোচনা সাপেক্ষে মুচলেকায় ছেড়ে দেয় প্রক্টরিয়াল বডি।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে আটকের পর শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) তাদের বিয়ে দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। পরে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে আলোচনা করে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় তাদের।
সভায় আলোচনা সাপেক্ষে তাদের বিয়ের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে মুচলেকা দিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। পাশাপাশি শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশের সিদ্ধান্ত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম ও হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতিসহ অন্যরা।
এর আগে গত শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন একটি মেসের পাশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র এবং হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এক ছাত্রীকে অপ্রীতিকর অবস্থায় আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাদের প্রক্টরিয়াল বডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাৎক্ষণিক পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ে দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে পরে উভয় পরিবারের সঙ্গে আলোচনায় বসে তাদের নিজ নিজ পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ওই শিক্ষার্থী যুগলকে আটকের পর উভয়ের লিখিত সম্মতি ও পরিবারের উপস্থিতিতে পরদিন সামাজিকভাবে বিয়ে দেয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। তবে শনিবার প্রক্টর কার্যালয়ে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে আলোচনা শেষে বিয়ের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘উভয় পরিবারের সাথে আলোচনা করে নতুন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রথমত, ছেলে-মেয়ে দুজনকে পরিবারের জিম্মায় দেয়া এবং দ্বিতীয়ত, শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হবে।’
What's Your Reaction?