বিশ্ব রেকর্ড ইন্ডিজের পেস বোলিং অলরাউন্ডার জাস্টিন গ্রিভস

Jul 28, 2026 - 18:34
 0  14
বিশ্ব রেকর্ড ইন্ডিজের পেস বোলিং অলরাউন্ডার জাস্টিন গ্রিভস

ত্রিনিদাদে ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনে দারুণ এক রেকর্ড গড়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস বোলিং অলরাউন্ডার জাস্টিন গ্রিভস। টানা ৫ ওভার মেডেন উইকেট নেন, সব মিলিয়ে নেন ৫ উইকেট। অর্থাৎ এই ৫ ওভারে কোনো রান না দিয়ে প্রতি ওভারেই ১টি উইকেট নিয়েছেন। টেস্ট ক্রিকেটের তথ্য–উপাত্ত সংরক্ষণ শুরুর পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ৫ ওভারে রান না দিয়ে প্রতি ওভারেই উইকেট নেওয়ার বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন গ্রিভস।

৩ উইকেটে ১৯৯ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল পাকিস্তান। মধ্যাহ্নবিরতির একটু আগেও পাকিস্তানের স্কোর ছিল ৬৩ ওভারে ৪ উইকেটে ২৪৪। গ্রিভস ততক্ষণ পর্যন্ত ৬ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য। তারপর কী হলো কে জানে, ৬৪, ৬৬, ৬৮, ৭০ ও ৭২তম ওভারে কোনো রান না দিয়ে প্রতি ওভারেই উইকেট নেন গ্রিভস।

৭১ ওভারে ৮ উইকেটে ২৬৭ রান নিয়ে মধ্যাহ্নভোজে যাওয়া পাকিস্তান দ্বিতীয় সেশনে ফিরে প্রথম ওভারেই গ্রিভসকে উইকেট দেয়। তাতে টেস্টে প্রথমবারের মতো ইনিংসে ৫ উইকেটের দেখাও পান গ্রিভস।

সেই ৫ ওভারের প্রতিটিতেই উইকেট নেন গ্রিভস। রান দেননি

ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস থেকে ২৯ রানে পিছিয়ে থেকে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৮২ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। ওয়েস্ট ইন্ডিজও এরপর তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে সুবিধা করতে পারেনি। পাকিস্তানের চার পেসারের তাণ্ডবে ৭ উইকেটে ১২৬ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করে ক্যারিবিয়ানরা। ৯৩ রানেই ৭ উইকেট পড়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। অষ্টম উইকেটে কেমার রোচ ও শামার জোসেফের অবিচ্ছিন্ন ৩৩ রানের জুটিতে দিনের খেলা শেষ করে স্বাগতিকেরা। জোসেফ ২২ ও রোচ ৫ রানে অপরাজিত। তৃতীয় দিনে মোট ১৪ উইকেটের পতন হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।