বিশ্ববিদ্যালয়  তুলনায় স্কুল-কলেজর শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঘটনা বেশি

Sep 9, 2026 - 20:43
Sep 9, 2026 - 20:43
 0  8
বিশ্ববিদ্যালয়  তুলনায় স্কুল-কলেজর শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঘটনা বেশি
দেশে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় স্কুল শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি। বেসরকারি সংস্থা  আঁচল ফাউন্ডেশনের মিডিয়া সার্ভেইল্যান্সে উঠে এসেছে এমন তথ্য। 
 
 
আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সেমিনারে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। বেসরকারি সংস্থা আঁচল ফাউন্ডেশন ‘শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা: ক্রমবর্ধমান সংকট’ শীর্ষক সমীক্ষায় এসব তথ্য তুলে ধরে।
 
 
সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঘটনায় সংবাদমাধ্যমে রিপোর্ট করা সংখ্যা ছিল ৩১০। এর আগে ২০২২ ও ২০২৩ সালে এ সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৫৩২ ও ৫১৩। তবে আঁচল ফাউন্ডেশনের এই তথ্য মিডিয়া-ভিত্তিক সার্ভেইল্যান্স ডেটা; এটি কোনো সরকারি জাতীয় মৃত্যুনিবন্ধন বা সরকারি জাতীয় মৃত্যুর পরিসংখ্যান নয়।
 
আঁচল ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আত্মহত্যায় মারা যাওয়া ৪০৩ শিক্ষার্থীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিলেন স্কুলশিক্ষার্থী। এ সংখ্যা ১৯০ জন, যা মোট ঘটনার ৪৭ দশমিক ৪ শতাংশ। এ ছাড়া কলেজ শিক্ষার্থী ৯২ জন বা ২২ দশমিক ৮ শতাংশ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ৭৭ জন বা ১৯ দশমিক ১ শতাংশ এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ৪৪ জন বা ১০ দশমিক ৯ শতাংশ।
 
 
 
 
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক হিসেবে দেখা গেছে, স্কুল শিক্ষার্থী রয়েছে ১৯০ জন (৪৭.৪ শতাংশ); কলেজ শিক্ষার্থী রয়েছে ৯২ জন (২২.৮ শতাংশ); বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রয়েছেন ৭৭ জন (১৯.১ শতাংশ) এবং মাদ্রাসা শিক্ষার্থী রয়েছে ৪৪ জন (১০.৯ শতাংশ)।
 
আঁচল ফাউন্ডেশনের সংগৃহীত তথ্য মূলত সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত আত্মহত্যার ঘটনাগুলোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। তাই প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে বেশি বা কম হতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ফিচার Vision: বাংলা ভাষায় গভীর অনুসন্ধান, দীর্ঘ আকারের সাংবাদিকতা, মানবিক গল্প এবং বিশ্লেষণধর্মী বর্ণনামূলক প্রতিবেদনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও বিশ্বাসযোগ্য Narrative Journalism Platform হওয়া; যা সময়, সমাজ এবং মানুষের পরিবর্তনের একটি স্থায়ী জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: সমসাময়িক ঘটনা, ব্যক্তি, সমাজ, সংস্কৃতি, ধারণা এবং পরিবর্তনকে গভীর গবেষণা, অনুসন্ধান, সাক্ষাৎকার, তথ্য, ইতিহাস এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক কেবল ঘটনা জানতে না পারেন, বরং সেই ঘটনার মানবিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক তাৎপর্যও উপলব্ধি করতে পারেন।