প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

Jul 24, 2026 - 21:05
Jul 24, 2026 - 21:06
 0  9
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দৈনিক উপস্থিতি মনিটরিংয়ের তথ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাঠানো নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। বিভাগীয় কার্যালয় থেকে তথ্য পাঠাতে বিলম্ব হওয়ায় কেন্দ্রীয়ভাবে দৈনিক উপস্থিতি প্রতিবেদন প্রস্তুতে সমস্যা হচ্ছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। 


বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গত ১৫ জুন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি মনিটরিং কার্যক্রম চালু করেছে।

এতে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যালয়, ক্লাস্টার, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় কার্যালয় থেকে যথাক্রমে সকাল ৯:৪৫, ১০:১৫, ১০:৪৫ ও ১১:১৫ মিনিটের মধ্যে তথ্য প্রেরণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় বিদ্যালয় থেকে সকাল ৭:৫০, ক্লাস্টার থেকে ৮:১৫,  থানা থেকে ৮:৪৫, জেলা থেকে ১০:১৫ এবং বিভাগ থেকে ১১:১৫ মিনিটের মধ্যে তথ্য পাঠানোর সময়সূচি নির্ধারিত রয়েছে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে সকাল ১১টা ১৫ মিনিটের মধ্যে তথ্য পাঠানোর নির্দেশনা থাকলেও এটি সঠিক। এতে শিক্ষকদের দৈনিক উপস্থিতি মনিটরিং প্রতিবেদন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না।


এ পরিস্থিতিতে বিভাগীয় কার্যালয়গুলোকে অধীনস্থ সব অফিস থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিটি কার্যদিবসে সকাল ১১টা ১৫ মিনিটের মধ্যেই অধিদপ্তরে পাঠানোর জন্য পুনরায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 উল্লেখ্য,এ অবস্থায় বিভাগীয় কার্যালয় হতে অধীনস্থ সব অফিসের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য সংগ্রহপূর্বক একত্রীকরণ করে প্রতি কার্যদিবসে সকাল ১১টা ১৫ মিনিটের মধ্যেই প্রেরণ নিশ্চিতের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ফিচার Vision: বাংলা ভাষায় গভীর অনুসন্ধান, দীর্ঘ আকারের সাংবাদিকতা, মানবিক গল্প এবং বিশ্লেষণধর্মী বর্ণনামূলক প্রতিবেদনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও বিশ্বাসযোগ্য Narrative Journalism Platform হওয়া; যা সময়, সমাজ এবং মানুষের পরিবর্তনের একটি স্থায়ী জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: সমসাময়িক ঘটনা, ব্যক্তি, সমাজ, সংস্কৃতি, ধারণা এবং পরিবর্তনকে গভীর গবেষণা, অনুসন্ধান, সাক্ষাৎকার, তথ্য, ইতিহাস এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক কেবল ঘটনা জানতে না পারেন, বরং সেই ঘটনার মানবিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক তাৎপর্যও উপলব্ধি করতে পারেন।