প্রশংসিত ও বির্তকিত অভিনেত্রী শমী কায়সার
প্রশংসিত ও বির্তকিত অভিনেত্রী শমী কায়সার
বাংলাদেশী টেলিভিশন অভিনেত্রী ও জনপ্রিয় তারকা শমী কায়সার নব্বই দশকে সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত ও বির্তকিত অভিনেত্রী । টেলিভিশন নাটক ছাড়াও এই অভিনেত্রীকে অভিনয় করতে দেখা যায় বড় পর্দায়।
প্রাণবন্ত অভিনয়ে দর্শকমহলে যতটা না প্রশংসিত হয়েছেন ব্যাক্তিগত কাজে তারচেয়ে বেশি সমালোচিত এবং বির্তকিত শমী কায়সার ।
শমী কায়সার অভিনয়ের শুরু টা করেন আশির দশকে, ২০১৮ তে সর্বশেষে অভিনয় করতে দেখা যায় এই অভিনেত্রীকে এবং" ঢাকা থিয়েটারের " অভিনয়ে ছিলেন ১২ বছর।
জনপ্রিয়ও তারকা অভিনেত্রী শমী কায়সার প্রথমবারের মতো বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন ১৯৯৯ সালে ভারতীয় ব্যবসায়ী অর্নব ব্যানার্জী রিঙ্গোকে বিয়ে করে। ২ বছর পর তাদের বিচ্ছেদের মধ্য দিয়ে পুনরায় বিতর্কের সৃষ্টি করেন এই নায়িকা।
পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি শিক্ষক মোহাম্মদ আরাফাতকে বিয়ে করেন পরবর্তী নানা কারণ দেখিয়ে বিচ্ছেদও করেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী।
আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন পদে থাকা মন্ত্রীর বাসায় যাওয়া আসার মধ্যে দিয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার বার্তাও দিয়েছিলেন এই টেলিভিশন অভিনেত্রী।
২০২৩ সালের ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের ঢাকা ১০ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী চিত্র নায়ক ফেরদৌসের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারনা চালায় এই নায়িকা।
বাংলাদেশের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কটুক্তি করতেও দেখা যায় এই অভিনেত্রীকে ৷ কটুক্তি করার কারণে এই অভিনেত্রীর নামে মানহানি মামলা করা হয় এবং মানহানি মামলায় ১০০ কোটি টাকা অর্থদন্ডের অভিযোগ করা হয়।
অবশেষে ২০২৪ সালে ৪ আগষ্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ফ্যাসিষ্ট সরকারের পক্ষে হত্যাকান্ডের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় এই অভিনেত্রীকে এবং ২০২৫ সালে গাজিপুরের কাশিমপুর থানা থেকে ১৪ আগষ্ট বের হন।
What's Your Reaction?