পাকিস্তানের কাছে হারে সোনার স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের

Oct 1, 2026 - 12:24
 0  0
পাকিস্তানের কাছে হারে সোনার স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের
ছবি: সংগৃহীত

 ১১১ রান তারা করতে মাঠে নেমে বেশ কঠিন সময় পার করছিল পাকিস্থান। দশম ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান যখন বোলিংয়ে আসেন, পাকিস্তানের রান তখন ৯ ওভারে ৪ উইকেটে ৭৬। জিততে শেষ ৪ ওভারে দরকার ৩৬ রান। মানে ম্যাচে তখনো ভালোমতোই ছিল বাংলাদেশ।

তবে মোস্তাফিজের সেই ওভার থেকে পাকিস্তান তোলে ২৩ রান। সমীকরণ নেমে আসে ১৮ বলে ১৩ রানে। ম্যাচের আর কী বাকি থাকে! শেষ পর্যন্ত জাপানের নিশিনে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের সেমিফাইনালে পাকিস্তান বাংলাদেশকে হারিয়েছে ৬ উইকেটে। তাতে সোনার পদকের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে লিটন দাসের দল।

পাকিস্তানকে বাংলাদেশকে খুব কম রানের লক্ষ্য দিয়েছে, তা নয়। ১৩ ওভারে এমন অসমান উইকেটে ১১২ রানের লক্ষ্য বোলারদের লড়াইয়ের জন্য যথেষ্টই ছিল। তবে মোস্তাফিজের বোলিংই বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছে। বাঁহাতি এই পেসার ২ ওভারে রান দিয়েছেন ৪১, সে কারণেই পাকিস্তানকে রানরেটের চাপে পড়তে হয়নি।

রান তাড়ায় পাকিস্তান নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকলেও বাড়তি চাপ নেননি কোনো ব্যাটসম্যান। সুযোগ পেলেই বাউন্ডারি মারার চেষ্টা করে গেছেন। পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের ইনিংসগুলো দেখলেও অনেক কিছু স্পষ্ট হবে। যেমন মাজ সাদাকাত করেছেন ৭ বলে ১৪, উসমান খান ৯ বলে ১৪, সাইম আইয়ুব ১২ বলে ২১। অপরাজিত থেকে পাকিস্তানকে জয় এনে দেওয়া হাসান নেওয়াজ ২২ বলে ২৭, আর সামাদ করেছেন ১৫ বলে ৩০ রান। ছোট ছোট এই ইনিংসই তাদের ফল এনে দিয়েছে। বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে রিশাদ হোসেন ও মেহেদী হাসান ভালো করেছেন। দুজনেই একটি করে উইকেট নিয়েছেন, রানও আটকেছেন।

ব্যাটিংয়ে কৃতিত্ব পাবেন তাওহিদ হৃদয়। ২১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর উইকেটে এসে দারুণ এক ইনিংস খেলেন তিনি। ৪ ছক্কা ও ২ চারে করেছেন ২৫ বলে ৪২ রান। তাঁর ইনিংসেই বাংলাদেশ ১১১ রান তুলতে পেরেছিল।

আগামী রোববার ব্রোঞ্জ জেতার লড়াইয়ে নামবে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আজ দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারত–শ্রীলঙ্কা ম্যাচে হেরে যাওয়া দল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।