নেশামুক্ত ভারত-২০২৯’ কর্মসূচির লক্ষ্য সামনে রেখে ৩ লাখের বেশি বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস করলেন শুভেন্দু

Sep 24, 2026 - 12:20
Sep 24, 2026 - 12:22
 0  6
নেশামুক্ত ভারত-২০২৯’ কর্মসূচির লক্ষ্য সামনে রেখে ৩ লাখের বেশি বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস করলেন শুভেন্দু
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গে ‘নেশামুক্ত ভারত-২০২৯’ কর্মসূচির আওতায় জব্দ করা ৩ লাখ ১০ হাজার বোতল ফেনসিডিল প্রকাশ্যে ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কলকাতার নিউটাউনের ইকোপার্ক চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রোড রোলার চালিয়ে এসব ফেনসিডিল ধ্বংস করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধ্বংস করা এই চালানের বাজারমূল্য প্রায় ৩১ কোটি রুপি।

বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট আয়োজিত এই ধ্বংস কার্যক্রমে উপস্থিত থেকে শুভেন্দু বলেন, রাজ্যকে মাদকমুক্ত রাখা তাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। মাদকের অবৈধ কারবার ও উৎপাদন কোনোভাবে সহ্য করা হবে না জানিয়ে তিনি জানান, মাদকাসক্তির ফলে সমাজ ও পরিবার উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফেনসিডিল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও এ ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাজ্য পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং স্পেশাল টাস্কফোর্সের (এসটিএফ) যৌথ অভিযানে এসব ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছিল। এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে বুলডোজার চালিয়ে আরও প্রায় ২০ কোটি রুপি মূল্যের ২ লাখ বোতল ফেনসিডিল ধ্বংসের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। একই দিনে বাঁকুড়াতেও যৌথ অভিযানে বাজেয়াপ্ত মদ ও মাদক বিনষ্ট করা হয়।

অন্যদিকে সল্টলেকের মিলনমেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত পৃথক এক অনুষ্ঠানে ৩৩টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের কাছে জমি বরাদ্দের অনুমোদনপত্র তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিন বছরের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নেওয়া এসব শিল্প প্রকল্পে প্রায় ৬০ হাজার কোটি রুপি বিনিয়োগ এবং ৬২ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে রাজ্য সরকার সূত্রে জানানো হয়েছে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক ভিশন: বাংলা ভাষাভাষী বিশ্বের জন্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি, কূটনীতি, ভূরাজনীতি, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং বিশ্বপরিবর্তনের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর ও প্রভাবশালী জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা বিশ্বকে বোঝার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পাঠকের প্রথম রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত ঘটনাবলিকে তথ্য, গবেষণা, প্রেক্ষাপট এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক শুধু "বিশ্বে কী ঘটছে" তা নয়, বরং "কেন ঘটছে", "বাংলাদেশের জন্য এর অর্থ কী" এবং "ভবিষ্যতে এর সম্ভাব্য প্রভাব কী"—তা গভীরভাবে বুঝতে পারেন।