ট্রাম্পের উপস্থিতিতে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার শান্তিচুক্তি সই

Oct 26, 2025 - 14:05
Oct 26, 2025 - 14:05
 0  26
ট্রাম্পের উপস্থিতিতে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার শান্তিচুক্তি সই

বিশ্ব ডেস্ক 

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ট্রাম্প ও মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে সম্প্রসারিত অস্ত্রবিরতি চুক্তিতে সই করেছে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া। 

আজ রোববার (২৬ অক্টোবর)  ট্রাম্পের সামনে শান্তিচুক্তিতে সই করে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশ দুটি।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুটিন চারনভিরাকুল। 

চুক্তি অনুযায়ী, থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার বন্দিদের মুক্তি দেবে এবং কম্বোডিয়া ভারী অস্ত্র প্রত্যাহার শুরু করবে। যুদ্ধ ফের শুরু না হওয়া নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিং করবেন আঞ্চলিক পর্যবেক্ষকরা।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার ইব্রাহিম অস্ত্রবিরতিকে ‘সন্ধান নয়, বরং সাহসের কাজ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নিকর্নডেজ বালানকুরা এটিকে ‘যৌথ ঘোষণা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা দু’দেশের সম্পর্ক নবায়নের অঙ্গীকার প্রদর্শন করে।

 বার্ষিক আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এটি চলতি এশিয়া সফরে ট্রাম্পের প্রথম ইভেন্ট ছিল। এরপর তিনি যাবেন জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায়। এ ছাড়া তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন। সফরটি এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বাড়ানোর প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত জুলাইয়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষে কয়েক ডজন মানুষ নিহত এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। মালয়েশিয়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় পাঁচ দিন পর যুদ্ধবিরতি হয়। এ সময় ট্রাম্প দু’দেশকে সতর্ক করে বলেছিলেন, যুদ্ধ চললে ব্যবসায়িক চুক্তি স্থগিত করা হতে পারে।

সূত্র: আলজাজিরা

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক ভিশন: বাংলা ভাষাভাষী বিশ্বের জন্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি, কূটনীতি, ভূরাজনীতি, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং বিশ্বপরিবর্তনের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর ও প্রভাবশালী জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা বিশ্বকে বোঝার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পাঠকের প্রথম রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত ঘটনাবলিকে তথ্য, গবেষণা, প্রেক্ষাপট এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক শুধু "বিশ্বে কী ঘটছে" তা নয়, বরং "কেন ঘটছে", "বাংলাদেশের জন্য এর অর্থ কী" এবং "ভবিষ্যতে এর সম্ভাব্য প্রভাব কী"—তা গভীরভাবে বুঝতে পারেন।