টানা বৃষ্টিতে বেড়েছে সবজির দাম

Jul 17, 2026 - 16:35
Jul 17, 2026 - 16:36
 0  9
টানা বৃষ্টিতে বেড়েছে সবজির দাম

টানা বৃষ্টি ও বন্যায় জলাবদ্ধতা আর সরবরাহ কমায় এক সপ্তাহের মধ্যে অনেক সবজির দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ হারে। সেই সাথে বেড়েছে ডিম ও মাছের দামও। মুরগির বাজারে রয়েছে কিছুটা স্থিতিশীল অবস্থা। 

আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

অতিবৃষ্টির কারণে অনেক এলাকার সবজি রাজধানীতে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে সরবরাহ কমে যায় এবং প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। কেজিপ্রতি সবজির দামে ৪০-৬০ টাকার বেশি পার্থক্য দেখা গিয়েছে। 
 
বর্তমানে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১৬০ টাকায়। দুই এক জায়গায় অবশ্য বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকার ওপরেও। এছাড়া শসা ২০০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৮০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, বেগুন ১২০ টাকা এবং কাঁকরোল ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
 
সবজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্যার কারণে গত সপ্তাহের তুলনায় অনেক সবজির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। 

বাজার করতে আসা আরিফুল ইসলাম বলেন, এক সপ্তাহ আগেও শসা ১০০ টাকার আশপাশে ছিল, এখন ২০০ টাকা। প্রায় সব সবজির একই অবস্থা। বৃষ্টির অজুহাতে প্রতিবারই দাম বেড়ে যায়, কিন্তু কমতে অনেক সময় লাগে।
 
মুরগির বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন নেই। প্রতিকেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায়, ব্রয়লার ১৮০ টাকা এবং লেয়ার ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকায়। মুরগি বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ ও চাহিদা স্বাভাবিক থাকায় বাজার স্থিতিশীল রয়েছে।
 
ডিমের বাজারে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। আর প্রতি ডজনে ১০ টাকা বেড়ে সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।
 
মাছের বাজারেও বেড়েছে দাম। বর্তমানে রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ থেকে ৩৮০ টাকা, কাতলা ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, চাষের পাঙাশ ১৮০ টাকা, চাষের কৈ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি দরে ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বাংলাদেশ ভিশন: বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকার, উন্নয়ন, নীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় রূপান্তর সম্পর্কে বাংলা ভাষার সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, শাসনব্যবস্থা, জননীতি, জাতীয় উন্নয়ন, মেগা প্রকল্প এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুসমূহকে তথ্য-যাচাই, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা শুধু "কি ঘটেছে" নয়, বরং "কেন ঘটেছে", "এর প্রভাব কী" এবং "এর ভবিষ্যৎ তাৎপর্য কী"—তা বুঝতে পারেন।