জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর গুলশানে ভ্যানচালক আব্দুল জব্বারকে হত্যাচেষ্টা মামলায় নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৪ অগাস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখান। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আজ তাকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক আব্দুস সালাম বলেন, আসামি নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী জব্বার আলীকে হত্যার উদ্দেশ্যে আসামিদের গুলির নির্দেশ প্রদান ও আর্থিক সহায়তা করার সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। এরপর তার উপস্থিতিতে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি হয়। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো একান্ত প্রয়োজন।
এর আগে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর দিবাগত রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) গ্রেপ্তার করে। পরদিন ২ অক্টোবর যাত্রাবাড়ী থানার ইমন হোসেন গাজী হত্যা মামলায় আদালত তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। পরে রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ১৮ আগস্ট তাকে গুলশান থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ। ওইদিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ২৪ আগস্ট দিন ধার্য করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় গুলশানের শাহাজাদপুরে কনফিডেন্স টাওয়ারের সামনে আন্দোলন করছিল বৈষম্যবিরোধীরা। এ সময় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা তাদের ওপর গুলি চালায়। এতে ভ্যানচালক জব্বার আলী হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী জব্বার আলী হাওলাদার বাদী হয়ে গুলশান থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০৯ জনকে আসামি করা হয়।
বাংলাদেশ
ভিশন: বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকার, উন্নয়ন, নীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় রূপান্তর সম্পর্কে বাংলা ভাষার সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মিশন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, শাসনব্যবস্থা, জননীতি, জাতীয় উন্নয়ন, মেগা প্রকল্প এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুসমূহকে তথ্য-যাচাই, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা শুধু "কি ঘটেছে" নয়, বরং "কেন ঘটেছে", "এর প্রভাব কী" এবং "এর ভবিষ্যৎ তাৎপর্য কী"—তা বুঝতে পারেন।