ক্যালিফোর্নিয়ার ক্যালেন্ডারে যুক্ত হলো ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ছুটি

Sep 29, 2026 - 16:06
Sep 29, 2026 - 16:06
 0  2
ক্যালিফোর্নিয়ার ক্যালেন্ডারে যুক্ত হলো ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ছুটি
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে রাষ্ট্রীয় ছুটির তালিকায় যুক্ত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। এত দিন অঙ্গরাজ্যের সরকারি ছুটির আইনে মুসলিমদের প্রধান দুই উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার আলাদা স্বীকৃতি ছিল না। এবার সেই অবস্থার পরিবর্তন হলো।

ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম ২৭ সেপ্টেম্বর অ্যাসেম্বলি বিল ২০১৭ বা এবি ২০১৭-তে স্বাক্ষর করেছেন। ‘স্টেট হলিডেজ: ঈদ’ নামের বিলটি উত্থাপন করেন সান ফ্রান্সিসকোর ডেমোক্র্যাট অ্যাসেম্বলি সদস্য ম্যাট হ্যানি।

তবে এর অর্থ এই নয় যে, ঈদের দিন সব সরকারি অফিস, স্কুল, আদালত, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ থাকবে। নতুন আইনে ঈদকে সরকারি ক্যালেন্ডারে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থী, সরকারি কর্মী, স্কুল জেলা ও কমিউনিটি কলেজের জন্য কিছু ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

দুই ঈদের সরকারি স্বীকৃতি

নতুন আইনে শাওয়াল মাসের প্রথম দিনকে ঈদুল ফিতর এবং জিলহজ মাসের ১০ তারিখকে ঈদুল আজহা হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রীয় ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ইংরেজি ক্যালেন্ডারে ঈদের তারিখ প্রতিবছর পরিবর্তিত হয়। তাই আইনে নির্দিষ্ট ইংরেজি তারিখের পরিবর্তে শাওয়াল ও জিলহজ মাসকে ভিত্তি ধরা হয়েছে।

আইনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, এটি বেসামরিক বা সরকারি ক্যালেন্ডারভিত্তিক স্বীকৃতি। এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, আচার বা কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে বাধ্য করা হচ্ছে না।

মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবর্তন

এবি ২০১৭ আইনে দুই ঈদ পালনের জন্য মুসলিম শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতিকে অনুমোদিত অনুপস্থিতির আওতায় আনা হয়েছে। ফলে ঈদের নামাজ বা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কোনো শিক্ষার্থী ক্লাস, পরীক্ষা বা অন্য কার্যক্রমে অনুপস্থিত থাকলে তার আইনি ভিত্তি থাকবে।

স্থানীয়ভাবে আলোচনার মাধ্যমে ঈদের দিন স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়। সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট স্কুলের ওপর। কমিউনিটি কলেজগুলোও স্থানীয় চুক্তির মাধ্যমে এমন ব্যবস্থা নিতে পারবে।

ক্যালিফোর্নিয়ার ক্যালেন্ডারে যুক্ত হলো ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ছুটি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে রাষ্ট্রীয় ছুটির তালিকায় যুক্ত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। এত দিন অঙ্গরাজ্যের সরকারি ছুটির আইনে মুসলিমদের প্রধান দুই উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার আলাদা স্বীকৃতি ছিল না। এবার সেই অবস্থার পরিবর্তন হলো।

ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম ২৭ সেপ্টেম্বর অ্যাসেম্বলি বিল ২০১৭ বা এবি ২০১৭-তে স্বাক্ষর করেছেন। ‘স্টেট হলিডেজ: ঈদ’ নামের বিলটি উত্থাপন করেন সান ফ্রান্সিসকোর ডেমোক্র্যাট অ্যাসেম্বলি সদস্য ম্যাট হ্যানি।

তবে এর অর্থ এই নয় যে, ঈদের দিন সব সরকারি অফিস, স্কুল, আদালত, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ থাকবে। নতুন আইনে ঈদকে সরকারি ক্যালেন্ডারে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থী, সরকারি কর্মী, স্কুল জেলা ও কমিউনিটি কলেজের জন্য কিছু ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

দুই ঈদের সরকারি স্বীকৃতি

নতুন আইনে শাওয়াল মাসের প্রথম দিনকে ঈদুল ফিতর এবং জিলহজ মাসের ১০ তারিখকে ঈদুল আজহা হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রীয় ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ইংরেজি ক্যালেন্ডারে ঈদের তারিখ প্রতিবছর পরিবর্তিত হয়। তাই আইনে নির্দিষ্ট ইংরেজি তারিখের পরিবর্তে শাওয়াল ও জিলহজ মাসকে ভিত্তি ধরা হয়েছে।

আইনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, এটি বেসামরিক বা সরকারি ক্যালেন্ডারভিত্তিক স্বীকৃতি। এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, আচার বা কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে বাধ্য করা হচ্ছে না।

মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবর্তন

এবি ২০১৭ আইনে দুই ঈদ পালনের জন্য মুসলিম শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতিকে অনুমোদিত অনুপস্থিতির আওতায় আনা হয়েছে। ফলে ঈদের নামাজ বা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কোনো শিক্ষার্থী ক্লাস, পরীক্ষা বা অন্য কার্যক্রমে অনুপস্থিত থাকলে তার আইনি ভিত্তি থাকবে।

স্থানীয়ভাবে আলোচনার মাধ্যমে ঈদের দিন স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়। সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট স্কুলের ওপর। কমিউনিটি কলেজগুলোও স্থানীয় চুক্তির মাধ্যমে এমন ব্যবস্থা নিতে পারবে।

ক্যালিফোর্নিয়ার ক্যালেন্ডারে যুক্ত হলো ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ছুটি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে রাষ্ট্রীয় ছুটির তালিকায় যুক্ত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। এত দিন অঙ্গরাজ্যের সরকারি ছুটির আইনে মুসলিমদের প্রধান দুই উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার আলাদা স্বীকৃতি ছিল না। এবার সেই অবস্থার পরিবর্তন হলো।

ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম ২৭ সেপ্টেম্বর অ্যাসেম্বলি বিল ২০১৭ বা এবি ২০১৭-তে স্বাক্ষর করেছেন। ‘স্টেট হলিডেজ: ঈদ’ নামের বিলটি উত্থাপন করেন সান ফ্রান্সিসকোর ডেমোক্র্যাট অ্যাসেম্বলি সদস্য ম্যাট হ্যানি।

তবে এর অর্থ এই নয় যে, ঈদের দিন সব সরকারি অফিস, স্কুল, আদালত, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ থাকবে। নতুন আইনে ঈদকে সরকারি ক্যালেন্ডারে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থী, সরকারি কর্মী, স্কুল জেলা ও কমিউনিটি কলেজের জন্য কিছু ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

দুই ঈদের সরকারি স্বীকৃতি

নতুন আইনে শাওয়াল মাসের প্রথম দিনকে ঈদুল ফিতর এবং জিলহজ মাসের ১০ তারিখকে ঈদুল আজহা হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রীয় ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ইংরেজি ক্যালেন্ডারে ঈদের তারিখ প্রতিবছর পরিবর্তিত হয়। তাই আইনে নির্দিষ্ট ইংরেজি তারিখের পরিবর্তে শাওয়াল ও জিলহজ মাসকে ভিত্তি ধরা হয়েছে।

আইনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, এটি বেসামরিক বা সরকারি ক্যালেন্ডারভিত্তিক স্বীকৃতি। এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, আচার বা কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে বাধ্য করা হচ্ছে না।

মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবর্তন

এবি ২০১৭ আইনে দুই ঈদ পালনের জন্য মুসলিম শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতিকে অনুমোদিত অনুপস্থিতির আওতায় আনা হয়েছে। ফলে ঈদের নামাজ বা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কোনো শিক্ষার্থী ক্লাস, পরীক্ষা বা অন্য কার্যক্রমে অনুপস্থিত থাকলে তার আইনি ভিত্তি থাকবে।

স্থানীয়ভাবে আলোচনার মাধ্যমে ঈদের দিন স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়। সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট স্কুলের ওপর। কমিউনিটি কলেজগুলোও স্থানীয় চুক্তির মাধ্যমে এমন ব্যবস্থা নিতে পারবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক ভিশন: বাংলা ভাষাভাষী বিশ্বের জন্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি, কূটনীতি, ভূরাজনীতি, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং বিশ্বপরিবর্তনের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর ও প্রভাবশালী জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা বিশ্বকে বোঝার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পাঠকের প্রথম রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত ঘটনাবলিকে তথ্য, গবেষণা, প্রেক্ষাপট এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক শুধু "বিশ্বে কী ঘটছে" তা নয়, বরং "কেন ঘটছে", "বাংলাদেশের জন্য এর অর্থ কী" এবং "ভবিষ্যতে এর সম্ভাব্য প্রভাব কী"—তা গভীরভাবে বুঝতে পারেন।