কুপিয়ে হত্যা করা হলো বিএনপির নেতা-কর্মীকে

Jul 22, 2026 - 14:28
 0  10
কুপিয়ে হত্যা করা হলো বিএনপির নেতা-কর্মীকে

রাজধানীর সবুজবাগে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিএনপির এক কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম মো. পলাশ (৩৪)। তিনি লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি মাদারটেকের সবুজবাগ এলাকায় থাকতেন এবং পেশায় প্রাইভেটকারের চালক ছিলেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত ৮টার দিকে রাজারবাগ বাজার পানির পাম্প-সংলগ্ন এলাকায় এই হামলা চালানো হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত পৌনে ১০টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

পলাশকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী হিরা জানান, পলাশ সবুজবাগ ৫ নম্বর ইউনিট বিএনপির কর্মী। রাতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে স্থানীয় রয়েল, সবুজ, নাঈমসহ ১০ থেকে ১২ জন তার ওপর হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে যায়। সেই সঙ্গে বুকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ঢামেকে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মো. হীরার অভিযোগ, কয়েক দিন আগে সবুজবাগ এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে রিকশা চুরি করেন সবুজ। পলাশ সেই রিকশা উদ্ধার করতে গেলে সবুজের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয়। ওই ঘটনার জেরে তার ওপর  হামলা হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা আছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

এ ঘটনার পরবর্তী আইনী কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বাংলাদেশ ভিশন: বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকার, উন্নয়ন, নীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় রূপান্তর সম্পর্কে বাংলা ভাষার সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, শাসনব্যবস্থা, জননীতি, জাতীয় উন্নয়ন, মেগা প্রকল্প এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুসমূহকে তথ্য-যাচাই, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা শুধু "কি ঘটেছে" নয়, বরং "কেন ঘটেছে", "এর প্রভাব কী" এবং "এর ভবিষ্যৎ তাৎপর্য কী"—তা বুঝতে পারেন।