ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জশনে জুলুস

Aug 26, 2026 - 17:21
 0  11
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জশনে জুলুস

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জশনে জুলুস ও আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশ নিতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছেন।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল থেকেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাইজভান্ডারি আশেকানরা সেখানে আসতে শুরু করেন।

আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বেলা ১১টার পর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দক্ষিণ গেট থেকে জশনে জুলুস বের হওয়ার কথা রয়েছে।

জুলুসটি দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন ও সচিবালয়ের সামনে দিয়ে ঘুরে পুনরায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসে শেষ হবে। এরপর সেখানে অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশ।

আজ সকাল থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিভিন্ন প্রবেশপথ দিয়ে দলে দলে মানুষ অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করছেন। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বাসগুলো আব্দুল গনি রোডসহ আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে।

উদ্যানের দক্ষিণ পাশে নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক দুটি প্যান্ডেল করা হয়েছে। সকাল দিকে এক পশলা বৃষ্টি হওয়ায় অনুষ্ঠানস্থলের বিভিন্ন অংশ কাদায় ভরে গেছে। এর মধ্যেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে অংশগ্রহণকারীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হচ্ছেন।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশে জাতীয় রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন দেশ থেকে আগত সুফি স্কলার, পীর-মাশায়েখ, ওলামা, শিক্ষাবিদ ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেবেন। এতে বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ সুন্নি সুফিবাদী জনতার অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।



What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বাংলাদেশ ভিশন: বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকার, উন্নয়ন, নীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় রূপান্তর সম্পর্কে বাংলা ভাষার সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, শাসনব্যবস্থা, জননীতি, জাতীয় উন্নয়ন, মেগা প্রকল্প এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুসমূহকে তথ্য-যাচাই, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা শুধু "কি ঘটেছে" নয়, বরং "কেন ঘটেছে", "এর প্রভাব কী" এবং "এর ভবিষ্যৎ তাৎপর্য কী"—তা বুঝতে পারেন।