ইত্যাদি এবার লক্ষ্মীপুরে

Jul 25, 2026 - 23:50
Sep 4, 2026 - 02:19
 0  7
ইত্যাদি এবার লক্ষ্মীপুরে

নদীঘেরা উপকূলীয় জনপদ লক্ষ্মীপুরকে ঘিরে নির্মিত হয়েছে দেশের অন্যতম ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র নতুন পর্ব। লক্ষ্মীপুর জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও মানুষের জীবন-সংগ্রামের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে এবারের আয়োজনে।

এবার অনুষ্ঠানটি ধারণ করা হয়েছে লক্ষ্মীপুর জেলা সদরের শতবর্ষী দালাল বাজার জমিদারবাড়ির স্মৃতিবিজড়িত নবীন কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে। অনুষ্ঠানটি ঘিরে লক্ষ্মীপুরজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।


এবারের পর্বে থাকছে দুটি বিশেষ গান। এর একটি গেয়েছেন লক্ষ্মীপুরের কণ্ঠশিল্পী তানজিনা রুমা ও ফেনীর শিল্পী সাজিয়া সুলতানা পুতুল। কবির বকুলের কথায় গানটির সুর করেছেন আকাশ মাহমুদ।

এছাড়া জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে নির্মিত পরিচিতিমূলক নৃত্যগীতে কণ্ঠ দিয়েছেন তানজিনা রুমা ও রাজিব। গানটির কথা লিখেছেন মনিরুজ্জামান পলাশ, সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন উজ্জ্বল সিনহা। দর্শকপর্বে লক্ষ্মীপুরকে ঘিরে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে নির্বাচিত চারজন দর্শক জনপ্রিয় নাট্যব্যক্তিত্ব দিলারা জামানের সঙ্গে অভিনয়ে অংশ নেন। 


অনুষ্ঠানে আরও থাকছে এভারেস্টজয়ী প্রথম বাংলাদেশি নারী ও লক্ষ্মীপুরের গর্ব নিশাত মজুমদারের বিশেষ সাক্ষাৎকার।

এ ছাড়া লক্ষ্মীপুরের ইতিহাস, ঐতিহ্য, পর্যটন, সয়াবিন চাষ, একটি অনুপ্রেরণাদায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং নদীভাঙনে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া এক মাঝির জীবন-সংগ্রাম নিয়ে একাধিক তথ্যভিত্তিক ও মানবিক প্রতিবেদন থাকছে এবারের আয়োজনে।

বিদেশি পর্বে তুলে ধরা হবে বিশ্বের দীর্ঘতম যুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ও উপকূলীয় সড়ক গ্রেট ওশান রোড। নিয়মিত আয়োজনের অংশ হিসেবে থাকছে কাশেম টিভির নতুন পর্ব, চিঠিপত্র এবং সমসাময়িক নানা সামাজিক অসংগতি নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক নাট্যাংশ।

বরাবরের মতো ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন এবং স্পন্সর করেছে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড। নতুন এই পর্বটি প্রচার হবে আগামী ৩১ জুলাই, শুক্রবার, রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর বিটিভিতে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।